আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সংবিধান সংশোধনে রাষ্ট্রধর্ম ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতি...

জানতে ভালোবাসি,...তাই প্রশ্ন করি...

এই সব বুদ্ধিজীবিদের নিয়া কৈ যামু..... কন তো দেহি ব্লগার মামু... সংবিধান সংশোধনে বিশিষ্টজনের সঙ্গে মতবিনিময় জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে ধর্মনিরপেক্ষতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক রাষ্ট্রধর্ম ও বিসমিল্লাহ সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া এবং ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল ও ধর্মের অপব্যবহার নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দেন তিনি। লেখক সৈয়দ শামসুল হক বলেন, দুই জেনারেল (জিয়াউর রহমান এবং এইচ এম এরশাদ) সম্পূর্ণ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য সংবিধানে বিসমিল্লাহ, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘এটা ছিল তাঁদের মতলবি কাজ। ইসলামপ্রীতি থেকে বা জনস্বার্থে তা করেননি তাঁরা।

রাষ্ট্রীয় দলিলে বিসমিল্লাহর দরকার নেই। এ ক্ষেত্রে আদি সংবিধানে ফিরে যাওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। ’ লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সংবিধানে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এমন কিছু করা উচিত হবে না, যা পরবর্তী সরকার বাতিল করার সুযোগ পায়। তিনি মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দেন। সুলতানা কামাল বলেন, রাষ্ট্রধর্ম ও বিসমিল্লাহ দেশের গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও মানবাধিকারের সঙ্গে চলে না।

ধর্মকে ব্যবহার করে কাউকে আঘাত বা অত্যাচার করা, অন্য ধর্মের প্রতি ঘৃণার উদ্রেক করা, ধর্মকে অপব্যবহার করা যায় না। এ জন্য এর বিরোধিতা করেছেন বলে তিনি জানান। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং চার মূলনীতি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা) কোনো অবস্থায় পরিবর্তন করা যাবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খান, সাংবাদিক এবিএম মূসা, সিপিডির দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সৈয়দ আবুল মকসুদ, ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার ও অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম একই মত দেন বলে জানা গেছে। ধর্মভিত্তিক দল ও রাষ্ট্রধর্ম বিষয়ে দ্বিমত: সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বেশির ভাগের মত ছিল সংবিধানের চার মূলনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক সবকিছু বাদ দেওয়ার পক্ষে।

নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় সাধারণত তারাই সরকার গঠন করে এবং দেশ পরিচালনা করে। তাহলে যে দেশে মুসলিম সংখ্যা গড়ে ৯৮% ভাগ সে দেশে কেন সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কিবাং বিসমিল্লাহ থাকবে না..? তাহলে কি সংবিধান সংশোধনের নামে আমরা আমাদের ইসলাম ধর্মকে বির্সজন দিব..? ইসলাম কি কোন কোন বুদ্ধিজীবিদের জন্য বিষ ফোড়াঁ হয়ে গেল..? গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ রইল।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.