আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

জীবনে অনেকে শোনেননি, মিস করবেন না ।(১৮++)



বিষয়বস্তু ১৮+ তাই , বাচ্চারা শয়তান ও ডাকাত থেকে সাবধান। অনেক অনেক দিন আগে এই স্বাধীন বাংলায় এক কুক্ষ্যাত ডাকাত ছিলো। তার ছিল বড়সড় এক দল। ডাকাতি ছাড়াও খুন, ছিনতাই, নারী নির্যাতন,লুটপাট সহ এমন কোনো খারাপ কাজ ছিলোনা যে তারা করেনি। তাদের নাম শুনলে এলাকায় সবাই ভয়ে থাকতো।

একদিন ডাকাত সর্দার এর মনে কি এমন ভাবের পরিবর্তন হল, যে সে ডাকাতি পেশা ছেড়ে দিতে চাইল। সঙ্গীদের অনুরোধ সত্ত্বেও দল ভেঙ্গে দিলো এবং সকল খারাপ কাজ করা ছেড়ে দিলো। এর পর সেই সর্দার সাধুদের মত বনে গিয়ে তপস্যা করা শুরু করলো। বনের ফলমূল খেয়ে বনেই একাকি বাস করতে লাগল। শয়তান ডাকাত সর্দারের এই পরিবর্তন দেখে খুব চিন্তায় পড়ে গেলো।

মনে মনে ভাবতে লাগল, আমার এত বড় চেলা যদি ভালো হয়ে যায় তাহলে আমার অনুসারি কমে যাবে। মানুষ শয়তান কে ভুলে যাবে। তাই পরদিন ভোরে এক অপুর্ব সুন্দরি নারীর (যার বর্ননা বঙ্কিমচন্দ্রর রচনায় পাওয়া যায়) রূপ ধরে শয়তান ঐ বনে প্রবেশ করে। ডাকাত সর্দার এর পায়ের কাছে লুটিয়ে পড়ে, আর বলতে থাকে আমাকে রক্ষা করুন। আমাকে ডাকাতের হাত থেকে রক্ষা করুন।

এই শুনে ডাকাত বলল তমার কোন ভয় নেই। এখানে কোন ডাকাত আসবে না, আর তোমার বিপদের কারন কি? তখন মহিলা তার পরিচয়ে বলে আমি অমুক স্থানের বাসিন্দা তমুক স্থনে যাবার সময় ডাকাত দল আক্রমন করে তার পাল্কির বেহারাদের মেরে ফেলে, তার সব গহনা-কাপড় ফেলে সে পালিয়ে চলে আসে। সর্দার কে সে তার বাড়িতে দিয়ে আসতে বলে। ডাকাত বলে সে এক বিশেষ তপস্যায় আছে তাই বনের বাইরে যেতে পারবে না। ততদিন মহিলাকে বনে থাকতে বলে।

মহিলা রাজী হয়। কয়েক দিন থাকার পর মহিলা তার শরীরের প্রলোভন দেখনো শুরু করে। এক পর্যায়ে ডাকাত ঐ মহিলার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। এর পর মহিলাটি হা হা হা করে বিকট শব্দে হাসতে শুরু করে। শয়তান তার নিজের রুপে ফির আসে আর বলতে থাকে," আমি প্রলোভন দেখিয়ে তোকে আবার মার দলে নিয়েছি আর তোর সব তপস্যা বিনশঠ করে দিয়েছি।

এই শুনে ডাকাত আরও জোরে হাসতে শুরু করে। এই হাসি শুনে শয়তান অবাক হয়ে বলে" আমি তর এত বড় ক্ষতি করলাম আর তুই হাসছিস"। সর্দার বলল" আমি এত বছর ধরে তপস্যা করেছি যেন কোন এক দিন শয়তান এর পুটকি মারতে পারি, আজ আমি সফল " হা, হা হা।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।