আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিপ্লবী ভগৎ সিং



নাম তার ভগৎ সিং। তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী, যার কোনো সংস্কার বা বিশ্বাসের সীমান্ত ছিল না। তার কাছে পৃথিবীটা ছিল ধনী ও গরীবে বিভক্ত। তার পৃথিবীতে ধর্মভেদ, জাতিভেদ বলে কিছু ছিল না। "কেন আমি নাস্তিক" শিরোনামের এক প্রবন্ধে ভগং সিং লিখেছেন, "যে মানুষ প্রগতির পক্ষে তাকে পুরোনো বিশ্বাসের প্রত্যেকটি বিষয়কেই চ্যালেঞ্জ করতে হবে।

যথেষ্ট যুক্তিতর্ক ও বিচার-বিবেচনার পর যদি কেউ কোনো তত্ত্ব বা দর্শনে বিশ্বাস স্থাপন করে, তবে তার বিশ্বাসকে স্বাগত জানাতে হয়। তার চিন্তাভাবনা ভুল বা বিভ্রান্তিকর হতে পারে। কিন্তু তা শোধরানোর সুযোগ আছে, কারণ সে পরিচালিত হয় বিচারবুদ্ধির দ্বারা, অন্ধবিশ্বাসের দ্বারা নয়। বিশ্বাস ও অন্ধবিশ্বাস বিপজ্জনক, তা মস্তিষ্ককে অকোজো করে দেয়, মানুষকে প্রতিক্রিয়াশীল বানিয়ে তোলে। " এই ভগৎ সিং কে ১৯৩১ সালের ২৩ মার্চ লাহোর সেন্ট্রাল জেলে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়।

ভগৎ সিং তার ডায়েরিতে লিখেছেন সিনক্লেয়ারের নোটবুক থেকে " একজন মানুষকে অমরত্বে বিশ্বাসী করে তুলুন, তারপর তার সমস্ত ধনসম্পত্তি কেড়ে নিতে যান, দেখবেন সে আপনাকে অবলীলায় তার সবকিছু দিয়ে দিবে । ধর্মগুরু আর ক্ষমতাধরদের মধ্যকার আঁতাতের ফলেই তৈরি হয়েছে কারাগার, ফাঁসিকাষ্ঠ আর এই সমস্ত তত্ত্ব। " দেশ ভাগের অনেক আগেই ভগৎ সিংয়ের আত্মবলিদানের ওই ঘটনাটি হতে পারত পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে একটা সংযোগসূত্র। আসুন আমরা ভগৎ সিং এর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।