আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

“গণতন্ত্র” এবং “প্রজন্ম চত্বর” বিরোধী ৭০ জন সাংসদ আর ১৯ জন ব্লগার এর সিদ্ধান্তঃ (কাঠগড়ায় মাহমুদুর রহমান, আসিফ আকবর আর পিয়াস করিম।

ওই মিয়া কি করছে “মাহমুদুর রহমান” ?“ইকোনমিস্ট” এর বঙ্গানুবাদ করছে তাইতো। আচ্ছা তাইলে কনতো “আসিফ আকবর” কি করছে? আওয়ামীলীগ আর সরকার বিরোধী কথা বলছে তাইতো। আচ্ছা এই বার বলেন তো “পিয়াস করিম” কি করছে ? জামাতের এবং সার্বিক মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলছে তাইতো। জনৈক ব্লগারের সাক্ষাৎকার এর উদাহরন দিচ্ছি “তিনি বললেন যে “দৈনিক সংগ্রামের” ৭১ এর যে দায়িত্ব পালন করেছেন সেটি পালন করছে ২০১৩ সালে পালন করছে “দৈনিক আমার দেশ” তুলে নিন আপনার মন্তব্য কেননা নতুন প্রজন্মের কাছে তাহলে “দৈনিক সংগ্রাম” এক সত্যবাদী এবং সাহসী পত্রিকার রুপে উপস্থাপিত হবে। ইকনমিস্টের সেই প্রতিবেদন যখন সারা বিশ্বের সব দেশের মোড়লরা জেনে তাদের নজরদারি বৃদ্ধি করছেন এবং আমাদের কোনও মিডিয়া যখন এটিকে প্রচার করল না তখন এই মাহফুজুর রহমান এটি কাভার করলেন এবং তখনই আঁতে ঘা লাগে এই সরকারের এবং তদের কিছু সুশীলরুপি মানুষের।

আমি বলছিনা তার পত্রিকায় তরফদারি নেই তবে সেই তরফদারি তো আমাদের ৮০ ভাগ মিডিয়া করে থাকে আওয়ামীলীগের। তাহলে সেটা কি? রহস্য সারা দুনিয়ার লোক জানবে আর আমি আপনি জানলেই বুঝি দোষ? আসুন এইবার বলুন এই “প্রজন্ম চত্বর” এর নানা সমালোচনা তার পত্রিকায় এসেছে বিভিন্ন সময় যে আমাদের এই চত্বরের আওয়ামিকরন করা হয়েছে আচ্ছা সে কি ভুল? অবশ্যই নয় । এই চত্বরের নানাভাবে দলীয় করন করা হচ্ছে এবং এই তিন ব্যাক্তির নাম উল্লেখও এরই ধারাবাহিক একটি ঘটনা। যাই হোক রাজিবের রিপোর্ট এর বিষয়ে যা বলতে চাচ্ছি আরে ভাই সে কই ভুল বলল সেত এরুপ বক্তব্য দিয়েছেই ইসলামের বিপক্ষে। তাহলে কি সমস্যা, সত্য জানা যেমন আমাদের অধিকার সত্য জানানো তার কর্তব্য।

এটা মনে রাখবেন। আসিফ নজরুল,নুরুল কবির আর পিয়াস করিম এই তিন ব্যক্তির কথায় যদি সবচাইতে বেশী কেও ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে তবে সেটা আর কেও নয় সেটি আমাদের সরকারী দল । এইক্ষেত্রে জামাত আমার মনে হয় না খুব বেশী লাভবান হয়েছেন তাদের বক্তব্যে কেননা তাদের অবস্থান এখন তলানিতে তাই বুঝতে হবে যারাই তাদের তরফদারি করবে তাদেরও অবস্থান হবে তলানিতে । গনতান্ত্রিক অধিকারের কথা যদি বললেই পিয়াস করিম আর আসিফ নজরুল স্যারকে একিউজ করা হয় তাহলেত জাতির বিবেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং এই ক্ষতি তো অপূরণীয়। আমাদের কে তো জানতে হবে যে কি হচ্ছে আর বিশ্লেষণ তো শুনতে হবে তাই না।

আর আইন করে তো জামাতকে বন্ধ করা যাবে না তাকে তো বন্ধ করতে হলে আমাদেরকে ঐক্য মতে আসতে হবে সাথে থাকতে হবে সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিপ্লবও। এই কথাগুলি যদি পিয়াস করিমের ভুল হয় তা হলে আমার লিখাটার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। এইবার আসি আরেকটি নাটকে,নাটকের প্লট তা একবার দেখ নিন। - গান্ম্যান পেলেন ১৮ জন আওয়ামি,বাম এবং নাস্তিক ব্লগারগন। (আরিফ জেবতিক বাদে) - ৭০ জন সংসদ সদস্য “ প্রজন্ম চত্বর” এর টিকেট পেলেন।

- ৩ শত্রু বধের সুত্র বের করে আনলেন। - বিতর্কিত হল “প্রজন্ম চত্বর” কতটা অগণতান্ত্রিক এবং আইনের সুশাসনের পরিপন্থী বক্তব্য দিয়েছেন এই তিন জন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করে সেটা আমি আর বর্ণনাতিত। তবে একটু দেখলেই বুঝতে পারবেন “গিভ এন টেক” পলিসি তে কি নিদারুন উপায়ে এই প্ল্যান করা হয়েছে। যাই হোক “আমার সোনার বাংলা” আই তোমায় ভালবাসি বললেই তো আর ভালবাসা হল না আমাদেরকে আমাদের বাংলা কে সোনার রুপে বানাতে হবে তবেই গিয়ে হবে সফল আর সেই লক্ষে আমাদের আইনের সুশাসন আর গনতন্ত্রের প্র্যাকটিসটা বজায় রাখতে হবে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.