আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

নীলাঞ্জনা

"পসার বিকিয়ে চলি জগৎ ফুটপাতে, সন্ধ্যাকালে ফিরে আসি প্রিয়ার মালা হাতে"

নীলাঞ্জনা নীলাঞ্জনার নীল নয়নে নীল সাগরের গভীরতা ছিল। আমি একটুকরো নির্মল আকাশ হয়ে সামান্য একটু নীলের ছায়া ফলেছিলাম তার সেই নীল চোখে। নীলাঞ্জনার নীল চোখ আরো ঘন নীল হয়ে উঠেছিল। উচ্ছাসে নয়, যেন কোন গোপন ব্যথায়। আমি টের পেয়েছিলাম।

কারণ আমার ফিকে নীল উচ্ছাসটুকু তার গাঢ় নীলের ছোঁয়ায় কালো মেঘ হয়ে উঠেছিল। নির্মল আকাশে হঠাৎ করে সেদিন মেঘ জমেছিল। ফিকে নীল আকাশটা মুহূর্তেই কেমন কালো হয়েছিল। মেঘের পরে মেঘ জমেছিল। এক সময় জমাট কালো মেঘের অভিমান ভাঙ্গলো।

আকাশপুত্র মেঘের কাজলবিহীন কালো চোখ থেকে স্ফটিকের ন্যায় স্বচ্ছ বৃষ্টির ধারা যেন মাটির বুকে নেমে এলো। মাঠের সবুজ দুর্বাঘাসগুলো সজীব হয়ে উঠলো। নীলাঞ্জনার নীল চোখে তখন বৃষ্টি ছোঁবার আকুলতা। হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখেছিল ফোঁটা ফোঁটা সেই নরম, আদুরে, শীতল মুক্তোর মতো বৃষ্টির কণাগুলো। নীলাঞ্জনার নীল চোখে তখন বরফ গলবার পালা।

ধীরে ধীরে মেঘেরা সরে গেল। নির্মল আকাশ তার হারানো নীল ফিরে পেল। কালো মেঘগুলো শুভ্র-সাদা পায়রার মতো আকাশে আকাশে উড়ে বেড়াতে লাগলো। অথচ সুশীতল সেই বৃষ্টিধারা নীলাঞ্জনার নীল নয়নের এতোটুকু নীল ধুয়ে দিতে পারেনি। নীলাঞ্জনা আজো সেই গাঢ় নীল ধরে আছে তার ডাগর দু’নয়নে।

কোন বৃষ্টি কিংবা কাজল সেই নীলকে স্পর্শ করেনা।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।