আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

জাহান্নামের চিত্র - পর্ব ১

"অবশ্যই আমার নামাজ আমার এবাদাত আমার জীবন আমার মৃত্যু সবকিছুই সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহর জন্যে। "

জাহান্নাম যারা (আল্লাহ তায়ালাকে) অস্বীকার করেছে তারা কখনো হয়তো চাইবে, যদি (সত্যি সত্যিই) তারা মুসলমান হয়ে যেতো ! (হে নবী,) তুমি (নিজ নিজ অবস্থার ওপর) তাদের ছেড়ে দাও, তারা খাওয়া দাওয়া করুক, ভোগ উপভোগ করতে থাকুক, (মিথ্যা) আশা তাদের মোহাচ্ছন্ন করে রাখুক, অচিরেই তারা জানতে পারবে (কোন্‌ প্রতারণার জালে তারা আটকে পড়েছিলো)। যে কোনো জনপদকেই আমি ধ্বংস করি না কেন - তার (ধ্বংসের) জন্যে একটি সুনির্দিষ্ট সময় আগে থেকেই লিখিত থাকে। কোনো জাতিই তার (ধ্বংসের) কাল (যেমন) ত্বরান্বিত করতে পারে না, (তেমনি) তা বিলম্বিতও করতে পারে না। (সূরা আল হেজরঃ আয়াত ২-৫) যারা আজ ইসলামকে পূর্ণাঙ্গরূপে গ্রহণ করতে অস্বীকার করছে তাদের জাহান্নাম সম্পর্কে জ্ঞান থাকা উচিৎ।

জাহান্নাম হচ্ছে বিচিত্র রকমের অসহনীয় যন্ত্রণার বিশাল কারাগার। জাহান্নামের আজাবের কারণে দৈহিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এমনকি দেহের মধ্যে অবস্থিত হৃৎপিন্ড, নাড়ী-ভুড়ি, শিরা-উপশিরা, অস্থিমজ্জা ইত্যাদির বিকৃতি ঘটবে কিন্তু সেই তীব্র যন্ত্রণা হতে মুক্তি পাবার অথবা পালিয়ে যাবার কোন রাস্তাও খোলা থাকবে না। মহান আলাহ্‌ বলেনঃ তুমি কি জানো জাহান্নাম (-এর আগুন) কি ধরনের? (এটা এমন ভয়াবহ আযাব) যা (এর অধিবাসীদের) জ্বালিয়ে অক্ষত অবস্থায়ও ফেলে রাখবে না, আবার (শাস্তি থেকে) রেহাইও দেবে না। বরং তা মানুষের গায়ের চামড়া জ্বালিয়ে দেবে। তার ওপর (আছে) ঊনিশ; (সূরা মোদ্দাস্‌সেরঃ আয়াত ২৭-৩০) অন্যত্র বলা হয়েছেঃ সেখানে সে মরবে না, (আবার) সে বাঁচবেও না; (সূরা আ'লাঃ আয়াত ১৩) এ (জাহান্নামের) মধ্যে যখন তাদের ছুঁড়ে ফেলা হবে তখন (নিক্ষিপ্ত হবার আগেই) তারা শুনতে পাবে, তা ক্ষিপ্ত হয়ে বিকট গর্জন করছে, (মনে হবে) তা যেন প্রচন্ড ক্রোধের কারণে ফেটে দীর্ণ বিদীর্ণ হয়ে যাচ্ছে; যখনই একদল (নতুন পাপী)-কে সেখানে নিক্ষেপ করা হবে তখনই তার প্রহরীরা তাদের জিজ্ঞেস করবে, (এ জায়গার কথা বলার জন্যে) তোমাদের কাছে কোনো সাবধানকারী কি আসেনি? (সূরা আল মুলকঃ আয়াত ৭-৮) তারা যখন দূর থেকে তাদের (মতো অন্যান্য জাহান্নামীদের) দেখবে, তখন তারা (স্পষ্টত) তার গর্জন ও চীৎকার শুনতে পাবে।

অতঃপর যখন তাদের হাত-পা শৃংখলিত অবস্থায় জাহান্নামের কোনো সংকীর্ণ স্থানে ফেলে দেয়া হবে, তখন সেখানে তারা শুধু (মৃত্যু আর) ধ্বংসকেই ডাকতে থাকবে; (সূরা আল ফোরকানঃ আয়াত ১২-১৩) সূরা আন-নাবায়ে বলা হয়েছেঃ নিশ্চয়ই জাহান্নাম (পাপীদের জন্যে) এক (গোপন) ফাঁদ, বিদ্রোহীদের জন্যে তা হবে (নিকৃষ্টতম) আবাসস্থল, সেখানে তারা কালের পর কাল ধরে পড়ে থাকবে। (সূরা আন-নাবাঃ আয়াত ২১-২৩)

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.