আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

পাথর

আহমেদ রিয়াজ গত রাত তিনটায় ঘুম ভেঙে গেল হঠাৎ। ঘুমটা অবশ্য গভীর ছিল না তখন। তন্দ্রাচ্ছন্নতা। স্বপ্নে দেখলাম ফ্রিজ খুলে বিস্কুট খাচ্ছি। আর কি শুয়ে থাকা যায়? খিদে পেয়ে গেল।

কিন্তু বিছানা যে আমাকে ছাড়ছে না। তবু উঠলাম খাবারের টানে। পরিস্কার হবার ঘরে গিয়ে পানি বদলে নিলাম। মানে টয়লেটের ছোট কাজটা সেরে নিলাম। ফ্রিজ খুললাম।

কোথায় বিস্কুট! নেই। ডাইনিং টেবিলের ওপর বাকশো খুলে চানাচুর বের করলাম। বাটিতে ঢেলে মুড়িও নিলাম কিছু। তারপর এক মুঠ মুখে পুরলাম। করর করর করর।

বড়সড় একটা পাথর পড়ল দাঁতের তলায়। ভেঙে অবশ্য কয়েকখণ্ড হয়ে গিয়েছে। অসহ্য! মুড়ি-চানাচুরেও আজকাল পাথর থাকে নাকি? মুখ থেকে দুবার চাপ দেয়া মুড়ি-চানাচুর ফেলে ভালো মতো কুলি করতে হলো। তারপর আবার মুড়ি-চানাচুর চিবোলাম। নাহ্! আর কোনো পাথর পড়ে নি মুখে।

কিন্তু ঝামেলা হলো আরেক জায়গায়। পাথরের একটা খণ্ড আটকে গেল দুদাঁতের ফাঁকে। টুথপিক দিয়ে অযথাই খোঁচাখুঁচি করলাম কিছু সময়। বেরুল না। গ্যাঁট হয়ে বসে রইল।

দাঁত দুটো শির শির করতে লাগল। ওই শিরশিরানি নিয়েই আবার বিছানায় গেলাম। তারপর একসময় পাথরের কথা ভুলেও গেলাম। সকালে নাস্তার পর যখন চায়ে প্রথম চুমুক দিলাম, আমাকে অবাক করে দিয়ে খুব সহজেই বেরিয়ে এলো সেই পাথর খণ্ড। অবনিলের কাছে জানতে চাইলাম, পাথর কিসে ছিল? মুড়িতে নাকি চানাচুরে? ও বলতে পারল না।

আমিও জানতে চাই, আসলে পাথরটা কিসে ছিল, মুড়িতে নাকি চানাচুরে? উত্তরটা না জানা পর্যন্ত শান্তি নেই। কেউ কি বলতে পারবেন? নাকি তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে? ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।