তারুণ্যের শক্তিতে জাগুন এই দেশ। ছিনিয়ে আনুক নতুন সকাল যাদের নামের পিছনে খান আছে এই পোষ্ট তাদের উদ্দেশে নয়।
১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানী খানদের হাত থেকে দেশকে উদ্ধার করা। দেশ স্বাধীন হয়েছে কিন্তু খানরা এখনো রয়ে গেছে। এই খানরা বংশীয় উপাধীর খান না, এরা চারিত্রিকভাবে খান।
অধিকাংশ সরকারি কর্মচারি এখন খান কারণ উপরি ছাড়া এখন আর কোনো কাজ হয় না।
অধিকাংশ ব্যবসায়ী এখন খান, কারণ তারা ব্যাংক থেকে টাকা মেরে দেয় এবং সরকারকে কর ফাকি দেয়। শ্রমিকের বেতনটাও ঠিকমত দেয় না।
আবাসন ব্যবসায়ীরা সরকারী জমি খেয়ে ফেলে, কেউ আবার বন খেয়ে ফেলে। নদী খাওয়া থেকেও বাদ যান না।
মাস্টার সাহেবরা ছাত্রদের মাথা খেয়ে ফেলে। কোচিং টুইশনি বানিজ্য করে টাকার পাহাড় গড়ে।
মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কোম্পানীগুলো জনগণের টাকা খেয়ে ফেলে।
সবচেয়ে রড় খান হলো রাজনীতিকরা। তারা তো দেশের মাংস, হাড্ডি, মজ্জা সব শেষ করে ফেলেছে, খেয়ে খেয়ে।
চুষে চুষে।
সাধারণ জনগণ এখন পাঠান বংশের লোক। তারা ভোট দিয়ে প্রতিনিধি পাঠান, সরকারকে ট্যাক্সের টাকা পাঠান আর বাকীরা তা খেয়ে ফেলে (খান)।
পাঠক আপনাদের কাছে আরো কোনো প্রকৃতির খান বংশের লোক থাকলে জানাতে পারেন। অভাগা পাঠানদের জানা দরকার কারা কারা খান বংশের লোক।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।