আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

একটা স্বাস্হ্য ট্রিক্স আর ঘরে বইসা কেমনে নিউক্লিয়ার রিএক্টর বানানো যাইবো (পুচকা আর ইসলামী জঙ্গী সহ যেকোনো জঙ্গিদের প্রবেশ নিষেধ! )

আসেন দুর্নীতি করি। আর এই দুনিয়াটাকেই খুচাই! ১. আমার খুব কাছের মানুষ (নাম কমু না, নাম কইলে বৌ আমারে পিডাইয়া ছালাছালা করবো!) এলার্জীর সমস্যা প্রায়ই শুনি। প্রচন্ড এলার্জী প্রকোপ। হাতের কাছে ঔষুধও থাকে না মাঝে মধ্যে। সাহিত্যিক মানুষ সে, তাই মনভোল হইতেই পারে।

তারে একটা বুদ্ধি দেই! ৪-৫ টা লেবু চিপড়াইয়া রস বাইর করো। তারপর একটা গ্লাসে ঐ রসের অর্ধেক পানিতে একটু চিনি মেশাও। গুইলা ফেলাও। তারপর ঐ রস ঐখানে ঢালো। বেশি নাড়ানির দরকার নাই।

হালকা নাড়াইয়া আস্তে গিলতে থাকো। পানি ঠান্ডা হইলে ভালো হয়! প্রচন্ড এলার্জী ফর্ম করলে লেবুর এই পানি এন্টি হিস্টাসিনের মতোন কাজ করে! ২) অখন আসি ঘরে বইসা নিউক্লিয়ার রিএক্টর কেমনে বানানো যায় সেইটা নিয়া কথা কই! আমি জানি আপনের কাছে কোনো ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম নাই। তাতে কি হইছে! যা আছে তা দিয়া কাম বানাইতে পারবেন! ক) কয়লা খনিতে অনেক আগে একধরনের হ্যাজাক বাত্তী ব্যাব হ্রত হইতো যেইখানে থোরিয়াম কটনের কাপড়ে রাইখা দিতো। আগুন দিয়া জ্বালাইলে জ্বল জ্বল কইরা জ্বলতো! এমুন ৫-১০টা থোরিয়ামের গ্যাস বাত্তী থিকা কটনে লাগানো থোরিয়াম নেন। খ) অখন একটা স্টিলের ডিব্বায় রাইখা আগুন দিয়া জ্বালান ৮০০-৯০০ তে।

দেখবেন থোরিয়াম গুড়া হইয়া গেছে। গ)এখন লিথিয়ামের ব্যাটারী থিকা লিথিয়াম খুইলা ওগুলোর সাথে থোরিয়ামের গুড়া মিশান আর সেইটা এলুমিনিয়াম ফয়েল দিয়া প্যাচান! ঘ)এখন একটা টিনের ডিব্বা নেন, তেল লাগান। ঐটার ভিতর এই এলুমিনিয়ামের ফয়েলে প্যাচানো থোরিয়াম আর লিথিয়াম ঢুকান। তারপর টিনের ডি্ব্বার তেলে আগুন লাগান। টিনের ডিব্বা চোঙ্গা হইলে ভালো হয় তাইলে গরম ভালো কইরা লাগবো।

গরম করনের পর যেইটা পাইবেন সেইটা হইলো রেডিওএক্টিভ থোরিয়াম মানে এইটা এখন তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানো শুরু করছে! ঙ)এই থোরিয়াম আমাগো রিএক্টরে লাগবো আমরা এইটারে পরে ইউরেনিয়াম অথবা প্লুটোনিয়ামে তৈয়ার করতে পারুম যেইটা আমরা বোমা বানাইতে পারুম। যেহেতু আমি ভাই শান্তির প্রতীক গান্ধীবাদি সেহেতু আমি এইটা কমু না! চ) এখন একটা ইলেক্ট্রন গান লাগবো যেইটা কারন আমি একটা নিউট্রন গান বানামু যেইটা দিয়া আমি যেকোনো পদার্থরে রেডিওএক্টিভ করতে পারি। আপনে প্রথমে সীসার টিউব নেন পরে ঐটা লীডের প্লাগে লাগান। পরে ঐটা দিয়া বানান লীডের ব্লক, ভালো বাক্স দিয়া। একখান ফুটা রাখবেন লীডের মাথায়।

ছ) অনেক স্মোক ডিটেক্টর নেন। ১০০-২০০ টার মতো। ঐখানে পাইবেন এমেরিসিয়াম। ঐ এমেরিসিয়ামের খন্ড দিয়া আপনে আলফা রশ্মী পাইবেন। ঐটা লীড বাক্সের ফুটার সামনে রাইখা এলুমিনিয়াম ফয়েল দিয়া ঢাইকা দিবেন।

তাইলে এখন যেইটা পাইবেন সেইটা হইলো নিউট্রনের ঝর্না! জ) এখন বাজার থিকা কয়েকশো রেডিয়ামের বাত্তী কিনা আনেন বা ঘড়ির থিকা রেডিয়াম গুলা খুইল পানিতে গুলান। গীগার কাউন্টার মারেন দেখবেন কত কত রেডিয়েশন। এখন এই রেডিয়াম আর স্মোক ডিটেক্টর থিকা এমেরিসিয়াম একসাথে মিশান এলুমিনিয়ামের ফয়েলে ভইরা ব্লক বানান। এইটা হইবো আমাগো রিএক্টরের রেডিওএক্টিভ কোর। ঝ)এখন থোরিয়ামের কিছু ব্লক বানান আর কয়লার কিছু ব্লক বানান এলুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়াইয়া।

এখন কিউব বানান যেইখানে থোরিয়ামের কিউব গুলা একটা লাইন করবো যেনো প্রত্যোক পৃষ্ঠে T এর মতো হয়। বাকী গুলান কয়লার কিউব। মাঝখানে ফাকা রাখবেন কিউবের। জ) এখন আর্মেসিয়ামের ব্লক আর ফয়েলে মোড়া রেডিয়াম কিউবের কেন্দ্রে রাখেন। ট্যাপ দিয়া ভালো কইরা প্যাচান।

ঞ)ড্রিল বিট মানে ড্রিলিং মেশিনের যেই ড্রিল বিট থাকে বেশীর ভাগ কোবাল্টের তৈরী। ঐখান থিকা ৬-৭ টা ড্রিল বীট থোরিয়ামের দুই পাশে রাখেন। কোবাল্ট কন্ট্রোলার হিসেবে কাম করবো! ব্যাস হইয়া গেলো নিউক্লিয়ার রিএক্টর। ভালা কথা, ঘরে বইসা বানাইয়েন না। তাইলে তেজস্ক্রিয়তা পুরা জায়গায় ছড়াইয়া যাইবো আর তখন সবার একিউট লিউকেমিয়ায় মরতে হইবো।

আর বাংলাদেশে এর কোনো ভালো চিকিৎসা নাই মইরা যাওয়া ছাড়া! খালি আজাইড়া এই পোস্ট দিলাম! তয় ঘরে বইসা আরো বেশ কয়েকভাবে নিউক্লিয়ার রিএক্টর বানানো যায়। এইটা হইলো সবচেয়ে ফালতু সিস্টেম! ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.