আহমাদ-২০০৫ BDR'কে ধ্বংশ করা হয়েছে, Army'কে ধ্বংশ করা হয়েছে, এখন দেশ ধ্বংশের গোপন ষরযন্ত্র চলছে। তা যতটা না দেশের ভেতর থেকে করা হচ্ছে তার থেকে বেশি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বাহির থেকে।
--- এটা এখন পরিষ্কার কে বা কারা জাতিকে বিভক্তকরার মধ্যে দিয়ে এই ষরযন্ত্র ঘটাচ্ছে। হঠাৎ করে সেকুলারিজমের জন্য এতো উঠে পড়ে লাগা কেন। কারা এতে উপকৃত হবে?
বলা হয়ে থাকে, বিডিআর বিদ্রোহের সময় হারিয়ে যাওয়া র্আমস গুলো আগামী নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে ।
কিন্তু আমার ধারনা আগামী নির্বচনটাই হবে, এই আর্মস গুলে দেশ কে অন্য দেশের সাথে যুক্ত করার স্বার্থে এদেশের দেশ প্রেমিদের নির্মূলে ব্যবহার করা হবে। আর এজন্যই তো সরার তত্ববদায়ক উঠিয়ে দিয়েছে, যাতে করে দেশে মধ্যে সব সময় একটা অস্থিতিশিল পরিস্থিতি বজায় থাকে। এসব সেই ফাকে ষরযন্ত্র গুলো সঠিক ভাবে গুছিয়ে নিতে পারে। শেয়ার বাজার লুট করে কাদের ভুরি ভোজ করিয়ে রাখা হয়েছে ? তারাই দেশ ধ্বংশের সৈনিক হবে।
হঠাৎ করে শাহবাগ তৈরি, জেতনায় জাগ্রতো করে এক পক্ষের অন্ধ আস্থা অর্জন করে তাদের যত্রতত্র ব্যবহার।
সাংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের ধর্মীয় অনুভূতিতে অঘাত, স্বাপ্রদ্বায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা, আবার তা প্রটেক্ট করা জন্য এক পক্ষের উৎথান, অতপর তাদের কে কাজে ঘুরানোর চেষ্টা করে জতির মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি । নিজস্ব মিডিয়ায় তৈরি !!
এই সব কিছুই কি ২% ভোট প্রাপ্ত জামতের করষাজি? এতো ক্ষমতা তাদের হয়েগেছে- এটা বিশ্বস করতে হবে?
কেনইবা আজ বিরোধী দলের মহাচিব থেকে শুরু করে সকর নেতৃস্থানীয় পর্যায়ের নেতা কর্মেদের ধরে জেলে বন্দি করে রাখা হবে।
সবাইকে এই ব্যপারে সর্তক থাকার অহব্বন করছি। যে কোনো সময় প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা আসতে পারে।
জানি নাহ, এই পোষ্টি দেওয়ার পর আমাকে অবার জেনারেল করা হয় কিনা।
তবে মনের সঙ্কা মনের মধ্যে রাখতে পারলাম না। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।