আপনি চাকুরী সূত্রে আপনার স্থায়ী ঠিকানার বাইরে ভোটার হয়েছিলেন। এখন যেখানে ভোটার হয়েছিলেন সেখানে থাকেন না আবার কোনদিন যাবেনও না। কিন্তু আপনার ভোটার সেই পূর্বের কর্মস্থলেই রয়েই গেল। নিজের এলাকাতে গিয়েও ভোট দিতে পারছেন না। এখন তাদের জন্য সমাধান চলে এসেছে।
ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণ কার্যক্রম-২০১২ সারাদেশে ৪টি পর্যায়ে চলছে। এখন প্রথম পর্যায়ের কাজ চলছে। এপর্যায়ে ৬৪টি উপজেলার কাজ প্রথমে শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়েরই ২য় ধাপে আরো বেশ কয়েকটি উপজেলার কাজ শুরু হবে। এখন আপনি যেএলাকাতে ভোটার স্থানান্তর করতে ইচ্ছুক সেই উপজেলা নির্বাচন অফিসে হালনাগাদ কার্যক্রম চলছে কিনা খোঁজ নিন।
এর পর এখান থেকে ১৪ নম্বর ফরম ডাউনলোড করে নিন। এই ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে হালনাগাদ চলাকালীন সময়ে জমা প্রদান করতে হবে। অন্যথায় ট্রান্সফারের আর কোন সুযোগ থাকবে না। এক্ষেত্রে একটা অসুবিধা হচ্ছে ফরমের ৪ নম্বরের ৪ টি তথ্য ক) ভোটার নম্বর কত? খ) নির্বাচনী এলাকার নাম কি? গ) ভোটার এলাকার নাম কি? ঘ) ভোটার এলাকার নম্বর কত? এ তথ্যগুলো আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে নাই। এগুলো যেখানে ভোটার হয়েছিলেন সেখানকার জেলা/উপজেলা নির্বাচন অফিস হতে সংগ্রহ করতে হবে।
সংযুক্ত কাগজপত্র হিসাবে ক) ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, টেলিফোন বিল) এর কপি, খ) পৌরকর/চৌকিদারী রশিদ, গ) প্রথম শ্রেনী গেজেটেড কর্মকর্তা/ওয়ার্ড কমিশনার/ ওয়ার্ড মেম্বর এর প্রত্যয়ন পত্র এবং আইডি কার্ডের ফটোকপি সংযুক্ত করে আপনার উপজেলার নির্বাচন অফিসে জমা প্রদান করতে হবে।
আপনার এলাকায় কখন কাজ শুরু হবে সেটা জানার জন্য এইলিংকে দেখতে পারেন। (সাইটটা মাঝে মাঝে বন্ধ থাকে)
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।