সেই চিরবিদ্রো.... যে লড়াই , কখনো শেষ হয়না.... সরকারের সাথে হেফাজতে ইসলামের নেগোশিয়েশন চলছিল!
সরকার তার আন্তরিকতা বা হেফাজতকে নিরস্ত করতেই কিছূ ব। লগারদের ধরে রিমান্ডেও দিল!
তারপর হঠাৎই পাল্টে গেল সব।
সরকার কঠোর অবস্থানে। পূর্বঘোষিত লংমার্চ নিয়ে ব্যাপক জনসমাজমের ভয়ে সরকার আতংকিত হয়েই বোধকরি রংমার্চ ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠলো।
এবং ইতিহাসে নজীর বিহীন রাতের হরতাল আহবান করালো জন বিচ্ছিন্ন অগণতান্ত্রিন নাম সর্বস্ব দল সংগঠনের ব্যানারে।
যেখানে বিএনপির আহুত হরতালে সরকার এবং আওয়অমী মালীক গং জোর পূর্বক খালী গাড়ি হলেও রেন্ডম চালায়.... ভাংচুরের ভয়কে পাত্তা না দিয়ে
সেখানে জুজুর ভয়ে সরকারের ইন্ধনে মালিক সমিতি সকল গাড়ী বন্ধ করে দিয়ে মূলত লং মার্চে লৌক যেন ঢাকা আসতে না পারে তারই আয়োজন চূড়ান্ত করেছে!!!
তারপরও যে সমাবেশ- সথ্যি আতকে উঠতেই হয়- যদি গাড়ী চলত- তবে কি হত!!
অথচ কিছূ কিছূ মিডিয়ার শিরোনাম দেখে সত্যি চমকে উঠতে হয়- তারা কি এই দেশের না মঙ্গল গ্রহের মিডিয়া!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
অহিংস হরতালে থমকে গেছে পরিবহনের চাকা!!!!!!!!!!!!
বাংলানিউজ২৪ এর শিরোনাম!
নিউজের ধরন -
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ডাকা ২৪ ঘণ্টার হরতালে সব ধরনের পরিবহনের চাকা থমকে গেছে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে নগরী ভেতর কোনো যাত্রী পরিবহন চোখে পড়েনি। এমনকি বন্ধ ছিল বিআরটিসির বাসও। গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী থেকেও দূরপাল্লার কোনো পরিবহন ছেড়ে যায়নি।
অন্যান্য হরতালে জ্বালাও-পোড়াও, চলন্ত বাসে আগুন দেওয়া সত্ত্বেও নগরীতে যাত্রী পরিবহন চোখে পড়ে।
কিন্তু এই হরতালে সব ধরনের গাড়ি-ঘোড়া বন্ধ রয়েছে।
অনেকে বলছেন, হরতালের আগের দিন অথবা হরতাল চলাকালে গাড়িতে আগুন দেওয়ার কারণে যাত্রী পরিবহন বন্ধ রয়েছে। অনেক চালক আবার বলছেন, সরকার ও মালিক পক্ষের নিষেধাজ্ঞার কারণে যাত্রী পরিবহন বন্ধ রয়েছে।
সদরঘাট-কুড়িলগামী ভিক্টর পরিবহনের চালক কালু মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, “মালিক ও নেতারা সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে গাড়ি চালানো বন্ধ করতে বলেছে, তাই আমরা বসে আছি। ”
অনেকে আবার বলছেন, সংঘাত এড়াতে গাড়ি বন্ধ রাখা হয়েছে।
ঢাকা-গোপালগঞ্জগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের ম্যানেজার মফিজুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, “হরতালের আগে-পরে গাড়ি পোড়ানো হয় বলে আমরা গাড়ি বন্ধ রেখেছি। ”
এছাড়া রাত ৮টায় গুলিস্তান ফুলবাড়িয়ায় বিআরটিসির সব কাউন্টার বন্ধ ছিল। অথচ অন্যান্য হরতালে বিআরটিসি যথারীতি চলতে দেখা গেছে।
শিরোনামে আর বক্তব্যে এই কারসাজি কার স্বার্থে!!!!!!
শিরোনাম
নজিরবিহীন হরতাল, সদরঘাটে লঞ্চ ভিড়ছে না!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
লংমার্চ উপলক্ষে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নিয়ে আসা লঞ্চগুলোকে সকাল থেকে ভিড়তে দেওয়া হয়নি ঘাটে। অন্যদিকে সাংস্কৃতিক জোটসহ ২৩টি সংগঠনের আহ্বানে অহিংস ও নজিরবিহীন হরতাল চলছে।
সদরঘাটে বিভিন্ন টামিনাল ঘুরে জানা গেছে, লংমার্চ উপলক্ষে শুক্রবার সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নদী পথে হাজার হাজার মানুষ রওয়ানা দেয়। হরতাল ও লংমার্চ মুখোমুখি হয়ে যাওয়ায় অনেক লঞ্চ মালিক শুক্রবার থেকে লঞ্চ বন্ধ করে দেয়।
কিছু লঞ্চ ঢাকার বাহিরে থেকে আসলেও প্রশাসনের লোকজন নাশকতা এড়াতে ঘাটে লঞ্চ ভিড়তে দেয়নি।
শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় হাতে গোনা কয়েকটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
শনিবার ভোর থেকেই সদরঘাটে লঞ্চ ভিড়তে দেওয়া হয়নি।
হরতাল ও লংমার্চে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশংকায় নদী পথে যাত্রী সংখ্যা ছিল কম।
শিরোনামে আর সংবাদে কত ফারাক!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
এই রেড জার্নালীজমের ফলাফল কখোনই ভাল হবে না। আর মিডিয়অ মালিকগোলাতো মিরর পার্টি। সরকার বদলের সাথৈ সাথৈ ভোল পাল্টে তারা অস্তিত্ব টিকাতে পাও চাটতে রাজি থাকে!!!
ফাকতালে মরে জনতা। বিভ্রান্ত হয়।
ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
এর শেষ কোথায়??????????
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।