যখন বিকাল হতে থাকে, হতে হতে সূর্যটা ঢলে পড়ে, পড়তে থাকে বাসের গন্তব্য গাজীপুর। কিন্তু আমি সিকি দূরত্ব পেড়ুলেই নেমে যাবো। আগে মানে অনেক আগে হলে নির্ঘাত বাসটা যতদূর যায়, ততদূর যাবার জন্য একবার মরীয়া হয়ে উঠতাম। সারাদিন গাজীপুর ঘুরে ফিরে আসতাম। কাউকে বললেই হতো, যাবি? সংক্রমিত হতো ওলোট-পালোট চিন্তাগুলো তার মধ্যেও।
একটু সময় পেলে হয়তো আরো দূরে ময়মনসিংহও যাওয়া হতো। অথবা জামালপুর, অথবা নেত্রকোনা। মানে কোনো একটা জায়গায় - যেটা ডেইলী রুটিনের ইনবক্সে নাই।
নতুন বছরের ১ তারিখ একটা ডায়রী পেয়ে কলম পিষে লিখে ফেললাম এক পৃষ্ঠা। তারপরে চারদিন নিয়মিত লিখে মনে হলো - কলম ধরতে ধরতে আঙুল কেমন শক্ত হয়ে যাচ্ছে।
হাতের লেখা সম্ভবত দ্বিতীয়বার আমি নিজেই উদ্ধার করতে পারবো না। অতপর ভাবলাম টাইপ করে লিখে প্রিন্ট নিয়ে ডায়রির পৃষ্ঠার উপরে রোজনামচা সেটে দিলে কেমন হয়!
গতকাল অনেকদিন পরে আড্ডা হলো জামাল ভাস্করের সাথে। ওয়েব জগৎ - এর বিস্তৃতির সাথে সাথে সম্পর্কের একধরণের সংকোচনও বেশ লক্ষ্যনীয়। কালেভদ্রে কথা হয়।
ফেসবুক ও ব্লগের মধ্যে একটা পার্থক্য এই রোজনামচা লেখার মধ্যেই দেখতে পেলাম।
ফেসবুকে ডায়রী লেখা যায় না। স্টাটাস এক ভিন্ন জিনিস, সেখানে থাকে চিন্তার খন্ডাংশ। ব্লগে সম্ভবত রোজনামচা লেখা সম্ভব।
আজকে আমি অনেক কাজ করবো। ওয়েব ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন।
ভাবতে ভালোই লাগছে। ব্লগ/সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে যতসব অনলাইন ক্রাইম হয় সেসব এবং সংশ্লিষ্ট সাইট নিয়ে গবেষণা করছি।
আজকের বিষয় ওয়েবে মৃত্যু বা শারিরীক নির্যাতনের হুমকি অনুসন্ধান। আমার অভিজ্ঞতামতে এমন ঘটনার শিকার মেইলে কেউ কেউ হয়ে থাকলেও এটা এখনও প্রাইমারী লেভেলে। ভবিষ্যতে এই সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে কি পাবে না - সেটা নিয়ে একটা ধারণা-কল্প তৈরী করা সম্ভব, যদি এখনকার দৃষ্টান্তগুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করা হয়।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।