সাংবাদিকদের অনেক কিছু বলার আছে আমার। আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন আমি এই পোস্টের পূর্বে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম সাহায্যের আবেদন চেয়ে। এখন অনেক লোকেরাই সাহায্যের নামে প্রতারনার ফাদ পেতে বসে। এ কারনে হয়তো আমারটাও তেমন কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। সে কারনেই আমি সিদ্ধান্ত নেই পত্রিকাতে প্রকাশ করার জন্য।
প্রথমেই গেলাম দেশের নাম্বার ওয়ান পত্রিকার কাছে যারা সম্প্রতি কানিজ আলমাসের বন্ধু বলে পাবলিকের রোষানলে পড়েছে। তাদের হাতে নাকি সোনার কাঠি আছে, তারা লিখলে নাকি চারেদিক থেকে অনেক সাহায্য আসে। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমার বুঝতে বাকো রইলো না যে তারা টাকা ছাড়া এক পা অ নড়তে চান না। যাই হোক শেষ পর্যন্ত নয়া দিগন্ত পত্রিকার এক সাংবাদিককে রাজী করালাম। তিনি ছাপলেন বটে কিন্তু এমন ভাবে যে গন্ধগোকুল তেলের বিগ্যাপন ও ,মানুষের চখে পড়বে কিংবা চিকন স্বাস্থ মোটা করার বিগ্যাপন ও চোখে পড়বে কিন্তু সাহায্যের আবেদন পড়তে হলে খুব হাই পাওয়ারের চশমা লাগবে আপনার।
যাই হোক পরিচিত লোকজন এর হাতে পায়ে ধরে বৈশাখী চ্যানেলকে রাজী করালাম। তাদের অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু হায়! এখন পর্যন্ত যেটা পেয়েছি সেটা তার রক্ত কিনতে কিনতে শেষ হয়ে যাবে। হয়তো আমার চোখের সামনে ধীরে ধীরে একটা ছোট বাচ্চা বেচেঁ থাকার আনন্দ উপোভোগ করার আগেই ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাবে। আর আমরা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখবো।
কি ই বা করার আছে আমাদের? সত্যি ই, এ দেশের সমাজ ব্যবস্থা আমাদের অনেক পাষান করে ফেলেছে। আমার দু ফোঁটা চোখের জল ছাড়া আর কিছিউ নেই ওকে দেবার। সাহায্যের জন্য আবেদন
নয়াদিগন্তের খবরঃ Click This Link ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।