আমাদের বশুবাড়ীর ঘাটের ঐতিয্য আর রক্ষাকরা গেলনা সেখানে াখেন এখন বাজে লোকেরা আড্ডা মারে। গত ৩ দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আর উত্তাল ঢেউয়ের আঘাতে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের ভাগ্যকুল বাজারের ১৯টি দোকানসহ পার্শ্ববর্তী ৮ কি.মি এলাকার শতাধিক বসতভিটা পদ্মার ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া মাওয়া-ভাগ্যকুল সড়ক, ঢাকা-দোহার সড়কের কামারগাঁও বাজার ও পার্শ্ববর্তী স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ নদীর তীরবর্তী বাড়িঘর হুমকির মুখে পড়েছে। জানা গেছে, উপজেলার ভাগ্যকুল ও বাঘড়া ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী কবুতরখোলা, চারিপাড়া, মান্দ্রা, ভাগ্যকুল, কামারগাঁও, কেদারপুর, নয়াবাড়ি, মাগঢাল ও বাঘড়া গ্রামে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে দেখা দিয়েছে। এতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে প্রাচীন জনপদসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। দুধপট্টি ও মাছবাজারের দোকানপাটসহ ১৯টি দোকান ও দুটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বহু বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এলাকাবাসী জানায়, গত ৭২ ঘণ্টার ব্যবধানে ভাগ্যকুল গ্রামের বাদশা মিয়া, সামাদ সারেং, কাজী সারেং, ফয়জুল, জব্বার, সাধন মালো, নওয়াব মোল্লা, কালু মিয়া, তোতা মিয়া, সূর্য মিয়ার বসতভিটাসহ বহু গাছপালা ও ফসলি জমি পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ আমজাদ হোসেন বলেন, পদ্মার ভাঙনের চিত্র সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপকে অবগত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।