বুঝতে পারছি কোন মানে নেই এমন খারাপ লাগার, প্রায়তো
এমন হয়; কোন কারণ নেই অথচ, অথচ কিছুই ভালো লাগে না!
অনেক দূর থেকে সবুজ ঘাস দেখতে ইচ্ছে করে, সেই সবুজে
সটান হয়ে শুয়ে ইচ্ছে করে আকাশের দিকে মুখ তুলে তাকিয়ে থাকি
যে মেঘ এখনও অপরিণত অনেকটা নদীর পানির মত সেখানে নরম রোদ
পড়ুক আর ছেলেবেলার মত ভাবি না কেন ওটা মরুভূমির মত
ওই তো ওখানে চাচার সাথে মেষ চড়াচ্ছে ছোট্ট মোহাম্মদ!
বন্ধুদের অনেকের কাছে শুনি তাদের গ্রামে ফিরবার আনন্দের কথা
আমার কেন জানি একঘেয়ে লাগে। মোটেই ইচ্ছে করে না । তবে ওর একটা
আলাদা ঘ্রাণ আমার মস্তিষ্কে স্থায়ী আবাস গড়েছে;সেই গন্ধ, আঘ্রাণ
আমি এখানে ওর থেকে অনেক দূরে বসেও পাই। সেই ছোটবেলায় যা ছিল
এখনও ঠিক তেমনটাই আছে। আমি হয়ত সেই গন্ধই খুঁজে ফিরি
হাতরিয়ে বেড়াই নতুন বই কিংবা প্রিয়তমের বুকে
কেননা ওর থেকে বেশি সুখ কিছুতেই পাবো না জানি!
আমার গ্রাম, গ্রামের সুঘ্রাণ পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়ার শাখা
বাড়ির পিছনে অন্ধকার ডোবা তারপাশে হিজল গাছ (কেন জানি
দিনের শেষে সন্ধার মত মনে হয়) মাঠের মাঝখানে বিশাল অস্বত্থ
আর উল্টো দিকে নদী-মাঠ পেরুলেই স্কুল
সেই নদীতে ডুব-সাঁতার, হিজলের তলায় প্রথম বড় হয়ে ওঠার কথা
তীব্র রোদে ঐশ্বর্যবান অশ্বত্থের তলায় কৃষকদের তৃপ্ত মুখ
স্কুলের পথে আমি; এই সবকিছু তখন মনে পড়ে
কন্ঠ ভারি হয়ে গেলেও একসময় ভালোলাগতে শুরু করে।
আমি সুখ পাই, বেঁচে থাকি।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।