মা বাবার সেবা করা সবচেয়ে বড় ইবাদত
আমি একজন মানুষ।
সকলের মত আমি থাকতে চেয়েছিলাম বাবা ময়ের সাথে। সুখে দুখে সবার পাশে, কিন্তু তা আর হলনা কেননা আমি একজন গরিব এর সন্তান। বাবা মায়ের স্নেহ ভাই বোনদের ভালবাসা বেশি দিন আমার কপালে সয়নি। যহনি একটু বুঝতে শিখেছি তখনি পারি জমালাম এই দেশ, মাটি, মা, বাবা, ভাই, বোন সবাইকে ছেড়ে অনেক দূর হাজার হাজার মাইল দূরে।
আজ আমার পরিচয় একজন বিনদেশি শ্রমিক। কিন্তু কেন? অন্য দশজনের মত আমিও স্বপ্ন দেখতাম, সবাইকে নিয়ে দু বেলা খেয়ে কাটিয়ে দেব দিন গুলি কিন্তু আর হলনা।
অনেক গুলি বছর পেরিয়ে গেল, কত কিছুইনা ঘটে গেল এই দিন গুলিতে। জীবনের সবচেয়ে প্রিয় যে মানুষটা ছিল আমার পরম শ্রদ্ধেয় ছোট কাকা তাকেও শেষ দেখাটা দেখতে পারলাম না। চলে গেল আমাকে ছেড়ে পরপারে।
হায়রে ভাগ্য......... এই ভাগ্য নিয়েই মানুষের জন্ম হয়
দেশ ছেড়ে যখন চলেযেতে চাই তখনো ইমিগ্রেশন এ আমাদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হয় কেননা আমরা মুজুর শ্রমবেচাই আমাদের পেশা এতকিছুর পরেও বিদেশের মাটিতে পরেথাকি শুধু পরিবার পরিজনের দিকে তাকিয়ে, এদের মুখে একটু হাসি ফুটানোর জন্য।
কহনো কখনো অনেকেই বলেথাকে দেশে চলে আয় ব্যবসা কর...।
কিন্তু কি করতে পারব কিছুই বলে দেয়না যার জন্য ২/৪/৬ মাস পর আবার পারি দিতে হয় অজানা পথে, দেশের মায়া ছেড়ে অনেক দূরে।
আজ যারা ব্লগে আছেন প্রায় সবাই কিছু কিছুর সাথে সম্প্রিক্ত।
আমাকে একটু পরামর্শ দেবেন কি, আমি ২০১১ তে দেশে চলে আসতে চাচ্ছি।
এসে কি করা যায়?
কি দরনের ব্যবসা করা যায়? (৪/৫ লক্ষ টাকার মধ্যে)
পরিশ্রম করা নিয়ে সমস্যা নাই। যে কোন ধরনের পরিশ্রম করতে পারব। বিদেশের মাটিতে কাজ করতে করতে আজ শরির লোহার মত শক্ত।
আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ কামনা করছি
আমার লিখায় বানানে অনেক ভুল আছে কেননা শুদ্ধ করে বানান লিখার মত পড়ালিখা আমি করিনি।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।