একজন নির্ভিক পুংটার কোন বন্ধু নেই।
বাঙালীর আরেকটা নাম হল হুজুগে বাঙালী... আমরা কানকথায় মতামাতি করি... স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় একটা পোষ্টার ছিল যাতে লেখা ছিল 'হুজুগে কান দেবেন না'। তারপরও আমরা হুজুগে গা ভাসাই। এইটা বাঙালীর একটা নির্মল আনন্দ বলতে পারেন।
এরপর বলতে হয় বাঙালী স্মৃতিবিশ্রুত জাতি।
এর মানে হল আমরা পুরাতন কথা মনে রাখতে পারি না। আমারেদ স্মৃতিশক্তি অনেকটা গোল্ড ফিসের স্মৃতিশক্তির মত। গোল্ড ফিস নাকি এ্যাকুরিয়ামের এ প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্তে যাওয়ার পর পছেনের স্মৃতি সব ভুলে যায়। মনে করে কতটা পথযে সাতরে এলাম।
বাঙারীর ইসু্র শেষ নেই।
এক একটা ইসু্ সামনে আসে আর আমরা খুব চেচামেচি আর লাফালাফি করি। আবার নতুন ইসু আসে পুরাতনটা ভুলে যাই। যেমন ধরুন বিএনপি, আমলিগ, জামাত এরা সত্যিসত্যি অতীতে কি করেছিল তা আমরা সবাই ভুলে গেছি। আরো সহজ করে বলতে গেলে, গত ক সপ্তাহেও আমরা ইভটিজিং নিয়ে হইচই করছিলাম, এখন শুরু হল খালেদার বাড়ি। ইভ টিজিং সমস্যার সমাধান ওখানেই আটকে গেলা।
প্রসঙ্গ যখন এখন খালেদার বাড়ি তখন দুটা কথা বলতে মনচায়। জিয়াকে যখন হত্যা করা হল, তখন টেলিভিশনে দেখেছিলাম এই একই ভাবে খালেদা তার দুই সন্তানকে সাথে নিয়ে কাদছেন। সামনে একটি বাক্স আর কিছু পুরাতন কাপড়চোপড়। তার মানে সত্যিই কি জিয়া একটি বাক্স আর জামাকাপড় তার পরিবারের জন্য রেখে গিয়েছিলেন। হতেও পারে।
তবে তার পরিবার সেই বাক্স থেকে অঢেল সম্পদ বানাতে সক্ষম হয়েছেন। আজ বর্বর আমলীগ খালেদাকে বাড়ি থেকে এক কাপড়ে বের করে দিল, দেখা যাক খালেদার এই এককাপড় থেকে বাংলাদেশের এই ম্যাজিশিয়ান পরিবার আর কত সম্পদ বানাতে পারে।
তবে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা যাই করুক না কেন, আমাদের আছে গোলড ফিস ব্রেইন। এ্যাকুরিয়ামের এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত সাতরে গেলেই সব ভুলে যাবো।
পুংটার ভাষায় শেষ কথা বলতে হয়...
আজ বুঝবিনা, বুঝবি কাইল... হুগা থাবড়াবি, পাড়বি গাইল...
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।