ঢাকা ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায় (এবং অন্যান্য বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায়) যে ইংলিশ প্রশ্ন থাকে, তার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো পরীক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার উপর দক্ষতা যাচাই করা। কেননা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বা অন্য যেকোন ভার্সিটিতে অধিকাংশ কোর্সের বেশীরভাগ text বই-ই হলো ইংলিশে। সেই সব text বইয়ের ইংরেজি পড়ে তো বুঝতে হবে।
কিন্তু বহু ছাত্র-ছাত্রীই (plus, দেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর বিশাল অংশ) ইংলিশ বই পড়তে comfortable feel করে না এবং ইংলিশ বই পড়ে বুঝতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় ভোগে।
Interesting ব্যাপার হলো, এই সমস্যা কিন্তু গ্রামারের দুর্বলতার জন্য নয়।
কেননা, স্কুল/কলেজে ইংলিশের শ্রদ্ধেয় স্যারদের কাছে বহু গ্রামারই ছাত্ররা পড়ে ও শিখে। Voice, narration, tense, right form of verb
প্রভৃতি বহু ধরনের গ্রামারই স্কুল-কলেজ জীবনে পড়ে। চৌধুরী & হোসেন /নবদূত/ অগ্রদূত/পাঞ্জেরী/পপি/রেন & মার্টিন/রেইমন্ড মার্ফি প্রভৃতি বই সবাই পড়ে। এরপরও বাংলাদেশের ৯০% student এবং শিক্ষিত লোকেরই সমস্যা হলো ইংলিশ text পড়ে তৃপ্তি মতো বুঝে না।
তার মানে, বহু গ্রামার জেনেও বাংলাদেশীরা ইংলিশে দুর্বল!
ভুক্তভোগীদের ভাষায় বললে বলতে হয়: “ইংলিশ দেখলেই জ্বর আসে !”
প্রশ্ন হলো, আসল কারণটা তাহলে কী এবং সমাধানই বা কী? আপনিও নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, ৯০% student -কে (বা অন্য যে কোন শিক্ষিত ব্যক্তিকে) ইংলিশ বই/পেপার, magazine/journal পড়তে বললে দু/চারদিনের বেশী continue করে না বা করতে পারে না।
এর প্রধান কারণ, তারা ইংলিশ বইয়ের passage পড়ে ঠিক মতো বুঝে না।
এই কথাটাই হলো গুরুত্বপূর্ণ :
প্যাসেজের ইংলিশ বাক্যগুলো ছাত্ররা বুঝে না। তার মানে, ইংলিশ বাক্যের বক্তব্য সে ধরতে পারে না।
ফলে, ইংরেজি পড়ে সে তৃপ্তি পায় না।
অথচ, এই সব student -তো SSC+HSC মিলিয়ে ১০/১২ বছরে প্রচুর গ্রামার পড়ে এসেছে।
ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায় (এবং অন্যান্য বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা যেমন: SSC/HSC প্রভৃতিতে) গ্রামারের উপর জোর দেয়াতে student -রা বুঝে, না বুঝে খালি গ্রামারই মুখস্থ করে! ফলে eventually যা হয়, তা হলো, ইংলিশ বলার-লেখার-বোঝার দক্ষতা সৃষ্টি না হওয়াতে দীর্ঘদিনের গ্রামার শেখাটাও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
মজার ব্যাপার হলো,
আন্তর্জাতিক সব পরীক্ষায়
ইংলিশের দক্ষতা
যাচাই করা হয়
Reading passage-এর মাধ্যমে!
ইংরেজির দক্ষতা মাপার বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় যেই IELTS পরীক্ষা, সেই IELTS পরীক্ষায় গ্রামারের জ্ঞানকে কিন্তু যাচাই করা হয় না, বরং IELTS-এ যাচাই করা হয় ভাষাজ্ঞানকে, তার মানে, ইংরেজি পড়ে বোঝে কিনা! এজন্য IELTS-এ থাকে reading comprehension । IELTS-এ একটিও tag question নেই, কোন right form of verb-এর প্রশ্ন নেই, কোন narration নেই, নেই কোন active-passive কিংবা, tense-এর কোন প্রশ্ন, conditional / idioms / phrase প্রভৃতির উপর প্রশ্নের কোনো বালাই নেই। আচ্ছা, বলুন তো,
IELTS develop -কারী
Cambridge University-র ভাষা বিশেষজ্ঞগণ IELTS পরীক্ষায়
কোন গ্রামার রাখলেন না কেন ?
কেন ? কেন ?
এর কারণ হলো
গ্রামার শেখা তো আসল উদ্দেশ্য নয়।
আসল উদ্দেশ্য হলো-
ইংরেজি ভাষা মুখে বলা,
পড়ে বোঝা, শুনে বোঝা,
ইংলিশে ইচ্ছামত লিখতে পারা।
তাই, ইংরেজির দক্ষতা কেমন, তা যাচাইয়ের জন্য ছাত্রকে passage পড়তে দিয়ে যাচাই করতে হবে।
‘ইংরেজির দক্ষতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে
ভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষা এবং
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরীক্ষার
ইংরেজি প্রশ্নের পার্থক্যের কারণেই বাংলাদেশীরা ইংরেজিতে পিছিয়ে আছে। ’
অতএব, ইংলিশের দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য যদি
International system follow করে বাংলাদেশে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষাতে এবং অন্যান্য পাবলিক পরীক্ষাতেও
Reading passage দেয়া হয়, তবে ultimately student-রাও বাধ্য হয়ে স্কুল/ কলেজের text বইয়ের ইংলিশ passage বুঝে বুঝে পড়ার চেষ্টা করবে। এতে student-দের ইংরেজির দক্ষতা বাড়বে।
এই লেখাতে কোনো তথ্য/উপাত্ত দেয়া হয়নি।
তথ্য/উপাত্ত পেতে চাইলে এই মুহূর্তে আপনার আশে-পাশের যে কোন ৫ জন লোককে randomly ডেকে আপনার সামনের টেবিলের যেকোন একটা English paper, বই বা magazine (Daily Star, Time / Newsweek / Reader’s Digest) থেকে ১-টা ১-টা করে ৫-টা sentence জোরে জোরে পড়তে বলুন, এবং তারপর ঐ বাক্যের অর্থ জিজ্ঞেস করুন ! হাতে-নাতে প্রমাণ পেয়ে যাবেন যে, এই প্রবন্ধের বক্তব্য কতটা হৃদয়বিদারক সত্য!!
ইংলিশের সাথে সম্পর্কযুক্ত বলেই এখানে আরেকটি প্রাসঙ্গিক ব্যাপার উল্লেখ করা হচ্ছে। জাতীয় দৈনিকেও প্রকাশিত হয়েছে যে, গবেষণা কম হয় বলে এক সময়ের প্রাচ্যের Oxford ঢাকা ভার্সিটির World Ranking নেমে গিয়েছে।
এই গবেষণা কম হওয়ার বিভিন্ন কারণের মধ্যে একটি হলো, গবেষণার জন্য যত বিদেশী বই, জার্নাল, ম্যাগাজিন পড়তে হবে সবই তো ইংলিশে লেখা। ফলে, গবেষক, ছাত্র বা শিক্ষকের পক্ষে উঁচু মানের গবেষণা করা কঠিন হয়ে পড়ে। .....
এই লেখার সারাংশ--
ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষা ও অন্যান্য পাবলিক পরীক্ষায়
ইংরেজির দক্ষতা যাচাইয়ের পদ্ধতি হতে হবে
আন্তর্জাতিক পদ্ধতির মতো, ইংরেজি প্রশ্নগুলো
এখনকার মতো গ্রামারভিত্তিক না হয়ে
Reading passage ভিত্তিক করতে হবে।
তবেই, দেশবাসী ইংলিশ শিখতে পারবে।
________________________________
কৃতজ্ঞতা
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।