সত্য বলার সাহস, কিন্তু তা হজম করার সাহস ক্য় জনের আছে তা জানি না .।
আমার এলাকার এক ছোটো ভাই, ২০০৮ সালে ভর্তি হয় ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অন্তর্ভুক্ত একটি কলেজে। এস.এস.সি ,এইচ.এস.সি দুইটাতেই জিপিএ ৫ পাওয়ার পরেও ধাকা ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে পারে নাই, কারণ জিপিএ ৫ পাওয়া ছেলে মেয়ের সংখ্যা ও তো কম না !! বাবার আয় তেমন না যে কোনো ভালো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে। তো একরকম বাধ্য হয়েই ভর্তি হয় ঐ কলেজে। কোনো জায়গায় চান্স না পাওয়া ছেলেটি মোটামুটি ভালো সুনাম আছে এই রকম একটি কলেজে ন্যাশনাম ভার্সিটির আন্ডারে ভর্তি হতে পেরেই খুশি।
কিন্তু তার খুশি স্থায়ী হয় না। দীর্ঘ দুই বছর যাবৎ পরীক্ষা না হওয়ায় সে হতাশ। প্রায় এক বছর আগে ঐ ছোটো ভাইয়ের টেষ্ট পরীক্ষা শেষ। কিন্তু ডিগ্রি পরীক্ষা হয় না বলে নাকি চতুর্থ বছরের পরীক্ষা হচ্ছে না। আর চতুর্থ বছরের পরইক্ষা না হওয়া পর্যন্ত নাকি তাদের পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
এ বছর শুনলাম ২৮,০০০ এরও ওপরে জিপিএ ৫.০০ পেয়েছে। ধরে নিলাম তারা সবাই মেধাবি। তা না হলে এতো ছেলে মেয়ে জপিএ ৫.০০ কি করে পায়। তাহলে তাডের জন্যে একটা সুন্দর শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরী করতে হবে। তাদের কে দিতে হবে সেশনজট মুক্ত একটা পরীক্ষা হওয়ার নিশ্চয়তা সহ শিক্ষা ব্যবস্থা।
কিন্তু কোথায় কি ??
তো ছোটো ভাইটির হতাশা দেখে এন.ইউ এর অফিসে ফোন দিলাম ৯২৯...৭ নাম্বারে, তারা বলেন, কুরবানির ঈদের আগে হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
এ পর্যন্ত যে কটা কলেজে খোজ নিয়েছি সবার টেষ্ট নেয়া শেষ আরো এক বছর আগে। তাহলে সেশন জটটা লাগে কই ??? নাকি চা আর সিঙ্গারা খাওয়ার পর পরীক্ষার সিডিউল করার সময় ন্যাশনাল ভার্সিটির কাজ করা কর্মচারীদের হাতে থাকে না ????
তাদের সন্তানেরা কি সবাই সরকারী বা বেসরকারী ভালো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ে ???
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।