পৃথিবীর সকল শাষক গোষ্ঠীকে বুঝাতে হবে বঞ্চীতদের দুনিয়া একটাই,তারা একই স্বরে কথা বলে।
গত ২৩ জানুয়ারি দৈনিক কালের কন্ঠের সাহিত্য সাময়িকী শিলালিপিতে কবি যিশু মহমমদের একটি চিঠি ছাপা হয়। তার এই চিঠিটি ছাপা হওয়ার পর ফেইস বুকে একজনের একটি পোষ্টে দেখলাম (Click This Link), তিনি এই চিঠি যিশু মহমমদের কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তখন দেখলাম অনেকেই তার সঙ্গে একমত পোষন করেছেন।
তারপর আমি ব্যাক্তিগত ভাবে যিশু মহমমদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারি সত্যিই ওই চিঠিটি যিশু মহম্মদের নয়।
তবে যিশু মহমমদ কালের কন্ঠের শিলালিপিতে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন আর শিলালিপির বিভাগীয় সম্পাদক তা নিজের ইচ্ছা মতো করে অথ্যাৎ যিশু মহমমদের মতামতে ঠিক বিপরীত ভাবে ছেপেছেন।
পরে যিশু মহমমদের কাছ থেকে আসল চিঠিটি সংগ্রহ করে সকলের জন্য তুলে ধরলাম।
আর কালের কন্ঠ যে চিঠিটি ছেপেছে সেটি হলো-
সে যেন কালের গরজ টের পায়
ভানমুক্ত হয়ে এ কথাই বলতে চাই, সাহিত্য সাময়িকীর পাতাও সৎ লেখক ও সৎ সাহিত্য ধারণ করার হিম্মত বা যোগ্যতা রাখে। কোনো ভালো লেখক আপসহীন হতে পারে না। তিনি নিজের অজান্তেই নিজের কাজটা করে চলেন।
তাই কোনো কোনো লেখক প্রায়ই দৈনিকের সাহিত্য সাময়িকীতে লিখতে গিয়ে হিনম্মন্যতায় ভোগেন। আমি মনে করি দৈনিকের সাহিত্য পাতার চরিত্র নির্ভর করে সেই পাতার লেখক ও সম্পাদকের ওপর। আর একজন লেখকের, সম্পাদকের সততা ও সংকল্প থাকাটা খুব জরুরি। একজন সৎ লেখকের ওপর সামাজিক, সাংস্কৃতিক উত্তরণের এক ধরনের দায় বা ভার এসেই পড়ে। ফলে লেখক সবসময় অপ্রতিরোধ্য।
এখন প্রশ্ন জাগে, দৈনিকের সাহিত্য পাতা ওই সিরিয়াস লেখকের অপ্রতিরোধ্য চেতনাকে কি ধারণ করতে পারে? আমি মনে করি একজন লেখকের কলম চালানোর অন্যতম জায়গা দৈনিকের সাহিত্য পাতা। অনেকেই হয়তো আমার সাথে একমত হতে নাও পারেন। যাই হোক, এসব গোমরের গোঁ ধরার সঙ্গে সঙ্গে এ-ও বলে রাখা উচিত, সময়, সমাজকে ডাকাতের হাতে বর্গা দেওয়ার ফলে আজ সবাইকে চরিত্রবল হারানোর খেসারত দিতে হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক লেখকরা দ্রুত সফলতা ও সামাজিক মর্যাদাকামী, যা আসলে লেখকের জন্য স্থূল ও নিছক মাত্র। তা টেকানোর জন্য বহু লেখক আত্দবিক্রয়ের ভঙ্গিও আয়ত্ত করেন।
উল্টোদিকে ভাগাভাগিতে কম পড়েছে বলে, হঠাৎ দৈনিকবিরোধী, উচ্চকণ্ঠ তাঁরা। যে পুকুরে সাঁতার কাটতে অম তার প েসমুদ্র সন্তরণের বুলি না আওড়ানোই ভালো। সব হম্বিতম্বি বাদ দিয়ে আসল কথা হলো, 'সব দেশের মতো আমাদের দেশেরও সাহিত্যের ভবিষ্যৎ দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় সুষ্ঠুরূপ গ্রহণের ওপর নির্ভরশীল। ' এ কোনো আপ্তবিশ্বাস নয়। অনেকেই মনে করেন_সাহিত্য ও রাজনীতি আলাদা ভাব, অনেক ফারাক।
বস্তুত সাহিত্যে রাজনীতি শুরু থেকেই আছে, আর সাহিত্য সময় ও ইতিহাস পর্যবেণের একটি বিশেষ দৃষ্টিকোণ। যা বিবেচ্য তা হলো. রাজনীতির ধরনটা কেমন হবে।
যাই হোক, এবার ভানমুক্ত বা যুক্ত হয়েই বলি, দৈনিক কালের কণ্ঠ ও তার সাহিত্য সাময়িকী 'শিলালিপি'র কাছে আবদার সে যেন যুগবহির্ভূত বা যুগান্ধ না হয়, সে যেন কালের গরজ টের পায়।
যিশু মহম্মদ
ঢাকা
Click This Link
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।