Loading...
এসব আমরা অনেক দেখেছি, বারবার দেখব, আমাদের দেখতেই হবে। এসবই হচ্ছে আমাদের পূর্বপুরুষদের বিশুদ্ধতম, ধ্রুব ইতিহাস, যাদের প্রধান অপরাধ ছিল একটি স্বাধীন ভূখন্ডের সপ্ন দেখা। একঝাঁক হায়নার নগ্ন নখরের আঁচড়ে জ্বলে-পুড়ে ছারখার হলেও মাথা নোয়ায় নি। নিজেদের সবুজ প্রাণকে তুচ্ছ করে ভেবেছিল আমাদের কথা।
ভাবতে খুব আবাক লাগে, তারা ছিল আমাদের মতই হাত-পাওয়ালা মানুষ।
রোবট কিংবা নিচু স্থরের বোধহীন কোন প্রাণী ছিল না। তাদের ছিল শান্ত-কোমল মন। তারা কবিতা লিখত আর গান গাইত। তাদের ছিল সুখের সংসার।
আক্ষেপ! তারাই কিনা শিকার হল ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যার।
হে বীর সেনানীরা, তোমাদের জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল হতে সশ্রদ্ধ স্যালুট।
এভাবেই মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে নীরিহ বাঙালীদের
কে জানে, তিনি কোন হতভাগা! হয়তো তার ছেলেমেয়ে এখনো তার বাড়ি ফেরার অপেক্ষা করছে
মেহদীরাঙা হাত পড়ে আছে ইট চাপা
বাঙালীর লাশ যখন কুকুরের খাদ্য
জীবন সায়াহ্ণে এসে হয়তো নাতী-নাতনী নিয়ে সুখে দিন কাটানোর সপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু হায়! ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস
কি অপরাধ ছিল এই খেঁটে-খাওয়া শান্ত বাঙালীর
হায়নারা শুধু মেরেই কান্ত হয়নি, খুবলে তুলে নিয়েছে পবিত্র দেহ
পিচাশেরও অধমরা এই দুরন্ত শিশুদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দিয়েছে
কে বলে তোমরা নেই। তোমরা বেঁচে আছো অজস্র স্বাধীনতাপ্রেমীর হৃদয়ে
কে বলে তোমরা নেই। তোমরা বেঁচে আছো অজস্র স্বাধীনতাপ্রেমীর হৃদয়ে।
কি অপরাধ ছিল এই নিষ্পাপ শিশুর
একেই বলে গণহত্যা
বাঙালী যখন শকুনের খাদ্য
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের আগ পর্যন্ত নিশ্চয় তোমরা হাতের বাঁধন খোলার চেষ্টা করছিলে
বাঙালীর লাশ নিয়ে টানাটানি করছে শকুনেরা
বিস্তীর্ন বাংলার বুকে এভাবেই মিশে গেছে শহীদেরা
জঘন্য!
লাশগুলোর দিকে তাকিয়ে পড়ন্ত বিকেলের সূর্যও বুঝি লজ্জা পেয়েছিল
যা দেখে কণ্ঠ স্তব্ধ হয়ে যায়
বীরাঙ্গনাদের দিতে হয়েছিল চরম মূল্য
অবুঝ মেয়েটির মানসিক অবস্থা ভেবে শিউরে উঠি
মৃত্যুর আগে এই বীরেরা নিশ্চয় পানি পানি বলে কাতরাচ্ছিল...
হায়! তেমারা দেখে যেতে পারোনি, তোমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে।
এদের সান্তনা দেবার ভাষা মানুষের জানা নেই
আসুন আমরা শোককে শক্তিতে পরিণত করি। সর্বদা যেন মনে রাখি এই বাংলাদেশ তাঁদের মহামূল্য আমানত। বাংলাদেশকে সুখী, সমৃদ্ধ ও সাবলম্বী বাংলাদেশে পরিণত করি, যার যার অবস্থানে থেকে।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।