!
ক্লাস টেন এ ওঠার পর নিয়মিত সেবা প্রকাশনীর ক্ল্যাসিক সিরিজ পড়তাম। এর আগ পর্যন্ত প্রিয় বই এর তালিকায় ছিল শুধুই তিন গোয়েন্দার বই অথবা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পাঠ্যসূচির কোনো ক্ল্যাসিক বই। ভেরা পানোভার পিতা ও পুত্র এর মতো বই থেকে শুরু করে হেমেন্দ্রকুমার এর আবার যখের ধন এগুলোই ছিল তখনকার প্রিয় বই।
এখনো মনে পড়ে হ্যারিয়েট বিচার স্টো এর আঙ্কল টমস কেবিন পড়ে আঙ্কল টমস এর জন্য কেঁদেছিলাম। ভিক্টর হুগো'র লা মিজারেবল বইটা পড়ার পর বেশ কয়েকদিন মন খারাপ ছিল।
একই সাথে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত অনেক বই আমাকে যেমন আনন্দ দিয়েছে তেমনি মনও খারাপ করে দিয়েছে। একটা বই ছিল মামার বিয়ের বরযাত্রী, সম্ভবত খান মোহাম্মাদ ফারাবী'র লেখা, বইটা পড়ে কতো যে হেসেছি!
এরপর যখন সেবা পড়া শুরু করলাম, তখন তো মনে হলো সমস্ত বিশ্ব সাহিত্য আমার হাতের মুঠোয়। এত বই এর অনুবাদ। গোগ্রাসে গিলেছি সেবার অনুবাদ গুলো। শী এর সাথে পরিচিত হয়েছি, ফার ফ্রম দ্য ম্যাডিং ক্রাউড এর বাথসেবা এভারডেন কে চিনেছি।
কত মজার মজার বই যে উপহার দিয়েছে সেবা আমাকে তা বলে শেষ করা যাবেনা।
এরপর উচ্চমাধ্যমিকে উঠে শুরু করেছিলাম গ্রীক নাটক পড়া। এরপর তারপর চলছেই, কিন্তু এত বই এর মধ্য থেকে কেউ যদি হঠাৎ করে আমার সবচেয়ে প্রিয় একটি বই এর নাম বলতে বলে তাহলে হোঁচট খাওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা নতুন নতুন বই পড়ার সাথে সাথে প্রিয় বই এর তালিকাও আপডেট হয়। তাই এখন পর্যন্ত পড়া সব বই এর মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় বই বের করা আসলেই কঠিন।
*********
আপনাদের সবচেয়ে প্রিয় বইটির নাম জানিয়ে যাবেন আশা করছি। সবচেয়ে প্রিয় হতে হবে কিন্তু, একাধিক হলে হবেনা!!
*********
বাংলা সাহিত্যে আমার পড়া সবচেয়ে প্রিয় বইঃ দত্তা
আর বিশ্বসাহিত্যেঃ ফার্মার বয়- লরা ইঙ্গলস ওয়াইল্ডার এর লেখা
বি.দ্র. স্মৃতি থেকে লেখা বলে আশা করছি, লেখক ও বই এর নামে যদি ভুল থাকে তাহলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।