বাংলাদেশ ব্লগারস এসোসিয়েশন সদস্য নং: ১০ । facebook.com/milton3d
আমাদের সময় ক্লাশে ক্যাপ্টেন থাকতো। এখন হয় কিনা জানিনা। ফার্ষ্ট, সেকেন্ড, থার্ড তিন জন ক্যাপ্টেন হতো। এটা করা হতো ভোটের মাধ্যমে অথবা সিলেকশন পদ্ধতিতে।
সে এক মজার অভিজ্ঞতা।
আমি ক্লাশ ওয়ান থেকে এস.এস.সি. পর্যন্ত একই স্কুলে পড়েছি। সেই সাথে আছে অনেক অনেক সৃত্মি। আসলে যে লক্ষ্য নিয়ে ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হতো, তার খুব একটা হয়ত প্রতিফলন হতো না।
প্রার্থীগুলো সিলেকশন করে দিতেন ক্লাশ টিচার।
পরে ভোট দিতাম আমরা সব ছাত্রছাত্রীরা। সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হতো ফার্ষ্ট ক্যাপ্টেন। তারপর ক্রম অনুসারে বাদবাকী দুইজন। এরপরই শুরু হতো মজার এক খেলা। আমাদের স্কুলের নিয়ম ছিল, যারা ক্যাপ্টেন হবে তারা সেই ক্লাশের সবাইকে চকলেট খাওয়াবে।
এছাড়া হেডস্যার থেকে শুরু করে সব টিচার, কর্মচারীদের চকলেট খাওয়াবে। মোটামুটি একটা ভালই খরচ।
ক্লাশ ক্যাপ্টেনের কাজ ছিল বেশ কয়েকটি। যেমন,
১। হোমওয়ার্কের খাতা গুলো টীচার আসার আগে সবার কাছ থেকে কালেক্ট করে স্যারের টেবিলে সিগনেচারের জন্য দেয়া।
২। ডাষ্টার এবং বেত সুরক্ষিত রাখা। (অনেক সময় আমরা ইচ্ছা করেই বেত চুরি করে বাহিরে ফেলে দিতাম)
৩। একটি ক্লাশ থেকে আরেকটি ক্লাশের মধ্যবর্তী সময়ে ছাত্রছাত্রীরা কে কে জোড়ে কথা বলে, গন্ডোগল করে তার নাম লিষ্ট করে টীচারের কাছে জমা দিয়ে শাস্তি দেওয়া। (এক্ষেত্রে একটু পক্ষপাতিত্ব হতো)
৪।
আমরা টিফিনের সময় কে কে পালালাম সেটা দেখে সেই হিসাবে ৫ম প্রিয়ডে স্যারকে জানানো।
এছাড়াও আরো কিছু কাজ ছিল।
তবে একটা জিনিস লক্ষ্য করা যেত, অপেক্ষাকৃত হোমড়া চোমড়া দেখে তাকেই ক্যাপ্টেন নির্বাচনের জন্য সিলেকশন করা হতো। যাতে একটু মাস্তানী ভাব থাকে। তবে আমরা ক্যাপ্টেনের সাথে সবসময় একটু খাতির রেখে চলতাম একটু বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য।
মনে হয়, সবারই এমন ছাত্রজীবনের টুকটাক অভিজ্ঞতা আছে।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।