আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

একটা ডায়েরী, যার তাল মাত্রা নেই

চোখ মেলে দেখি জানালায় ভোরের পাখি

পড়তে পড়তে ঝিমুনী আসতে পারে। তাই আগেই চা বিস্কুট সামনে দিয়ে রাখলাম। এক. ছলাৎ করে একপাক কাদা এসে আমার প্যান্টের গায়ে লেপ্টে রইল। আমি তাকিয়ে রইলাম। কি করার আছে এ মুহুর্তে।

প্রচন্ড ক্রোধে ফেটে পড়তে পারি, চিৎকার গালাগালি দিয়ে একটা ভীষন রকমের শোরগোল তুরতে পারি। কিংবা দুঃখে কাতর হয়ে এখানেই ভেঙে পড়তে। আর কিছুই না করতে পারলে ভাল মানুষের মত কিছুই হইনি বিবেচনা করে যথারীতি হেটে যেতে পারি। বেশি আগ্রহ থাকলে হয়তো একবার দেখতে পারি কাছাকাছি কোথাও পানি পাওয়া যায় কিনা। সত্যি কথা বলতে এর বাইরে আমার কিছুই করার নেই।

চার চাকার সৌখিন গতিযন্ত্র, বাসের হেলপার যাকে আদর করে ডাকে প্লাস্টিক বলে, সে পাশ কাটিয়ে চলে গেছে অনেকদুর। ........ দুই. প্রায় প্রতিদিনই এ পথে আসি আর যাই। প্রতিদিন বলা ভুল, বরং যতদিন একানে থাকি ততদিনই। সকালে, দুপুরে, বিকেলে, কিংবা সন্ধায়। সেদিন কে একজন বলল হঠাৎ করে নাকি মানুষ বেড়ে গেছে।

আমি সাথে সাথে সায় দিলাম। এ পথে কখনো এত মানুষ দেখিনি। ঈদের পরে যেন মানুষ বেড়ে গেল দেড়গুন। আসলেই কি তাই! কে জানে! হয়তো এটা ঢাকা শহরের জন্য ঈদ বোনাস। ........ তিন. ভদ্রলোকের সাথে দেখা হয়ে ভালই হলো।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন। এখন আছেন একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট টিচার। আমি খুব মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনছিলাম। আমার আবার নাটক লেখার খুব শখ, আর উনি বলছিলেন কিবাবে নাটক লিখতে হয়। শিখলাম অনেক কিছু।

ভাবছি এই যে শিখলাম সেটা আবার নাটক হয়ে না যায়!! ......... চার. ড্রয়ারের চাবি হারিয়ে ফেললাম। কি বিপদের কথা, খানিকটা বিব্রতও। কালই কেবল ড্রয়ারের ব্যবহার শুরু হয়েছে। একানে খুজি, ওখানে খুজি। টেবিলের তলা, অন্য ড্রয়ার, সেলফের মাথায়, কলমদানীর মধ্যে, বালিশের নিচে, সবগুলো পকেটে... এবং সবার অলক্ষে ডাস্টবক্সেও।

নাহ, কোথাও নেই। পেয়েছি শেষ পর্যন্ত। কে একজন অতিউৎসাহী টেবিল গুছাতে এসেছিলেন। দিলাম একটা কড়া ধমক। (প্রকাশ্যে নয়, মনে মনে।

)........... পাচ. লেখক হবার বড় সাধ কিন্তু কি লিখব তাই খুজে পাইনা। যা যা মনে ছিলো সব লেখা শেষ। এখন ইস্যু সংকটে ভুগছি। ব্লগ এসে আরো জ্বালা। আগে যাহোক কিছু একটা খসড়া লিখে, তারপর ফাইনাল করে কোথাও পাঠানো উপলক্ষে বেশ কিছুদিন ব্যয় হয়ে যেতো।

পাঠানোর পরে অপেক্ষায় থাকতাম ছাপা হয় কিনা। সেই অপেক্ষা করতে করতে কেটে যেত আরো দু মাস। দুমাস পরে যখন ছাপা হতো না তখন সম্পাদকের যোগ্যতার পর্যালোচনা করতে ব্যয় হতো আরো একমাস। তিনমাস পরে যখন নতুন লেখা লিখতে বসতাম ততদিনে নতুন বিষয় একটা জমা হয়ে যেতো। এখন সব দুই মিনিটের ব্যাপার।

তাই বাকী সময় এখন বেকার...কেবলই বেকার। ...........

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.