যখন বিকাল হতে থাকে, হতে হতে সূর্যটা ঢলে পড়ে, পড়তে থাকে
বর্ষার মৌসুমে ঠিক যেন সমুদ্দুর। তার মাঝ দিয়ে বয়ে চলা সড়ক। শিশামুখর নগরী থেকে পরিত্রাণ, এখানে এসে নিশ্বাস ফেলা যায়। কথা বলা যায় কলবলিয়ে।
ঘন্টার পরে ঘন্টা কেটে যাবে নিমিষে।
সূর্য চট করে ডুবে যাবে - মনে হবে গিলে খেল কোন পশ্চিমা রাক্ষস
ল্যান্ডিং স্টেশনটাতে ৫ টাকার টিকিট কেটে ঢুকতে হবে।
নিরিবিলি সুনসান ল্যান্ডিং স্টেশন
হোটের সেরিনার একটা ক্রুজ রয়েছে। সেটাতে উঠতে হলে ৬০ টাকার টিকিট কাটতে হবে। তবে চমৎকার জায়গা। টিকিট কাটার জন্য এক কাপ কফি অথবা একটা ড্রিংক ফ্রি।
পুরো একটা জাহাজ। আপনি ইচ্ছে করলে এটা ভাড়া করে ঢাকার চারপাশ ঘুরেও আসতে পারেন।
সেরিনার রুফে চমৎকার বসার জায়গা আছে। দেখতে পারবেন দুচোখ মেলে চারদিক।
চমৎকার একটা রেস্টুরেন্ট।
তবে দাম মোটামুটি গলা কাটা।
কয়েকদিন আগে অফিসের মিটিং এর একটা ভেনু খুঁজতে আশুলিয়া গিয়ে মেলা অভিজ্ঞতা হলো। একটা চমৎকার পানশী রয়েছে। এক হাজার টাকায় ঘন্টাখানেকের জন্য ভাড়া নেয়া যায়। এছাড়া চারশ টাকায় ইঞ্জিন চালিত বোট পাওয়া যায়।
চমৎকার এই স্পটটাতে যাবার জন্য ভালো কোন ব্যবস্থা নাই। সিএনজি নিতে পারেন তবে টঙ্গী ব্রিজ থেকে মিটারের ডাবল গুনতে হবে। এছাড়া সন্ধ্যার পরে ফেরার জন্য পর্যাপ্ত সিএনজি-ট্যাক্সি নেই। যা আছে তা ভাড়া হাকবে আসমান ছোঁয়া।
ভালো কিছু কটেজ বা রিসর্ট হতে পারে।
যেখানে কাটানো যাবে রাতও। এমন একটা সম্ভাবনায়ম ট্যুরিস্ট স্পট ঘিরে স্বপ্ন দেখা সম্ভব। কিন্তু কে দেখবে?
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।