আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বনদস্যুদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ জেলে-বাওয়ালীরা

শ্যামনগরে বনদস্যু আকবর গাজীসহ সাত বনদস্যুর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জেলে বাওয়ালীরা। বনদস্যুরা একের পর এক জেলে বাওয়ালীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আদায় করছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

আবার তাদের দাবীকৃত চাঁদা দিতে না পারলে জেলে বাওয়ালীদের জীবন পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। বনদস্যুদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ জেলে বাওয়ালীরা প্রতিকার চেয়ে তাদের বিরদ্ধে শ্যামনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার যতীন্দ্রনগর গ্রামের শামসুদ্দীন গাজীর ছেলে আকবর আলী ও একই গ্রামের আনারুল গাজী, আলতাফ গাজী, আলীম গাজী, মাছুম বিল্লাহসহ ৭ বনদস্যু সুন্দরবনের মধ্যে জেলে-বাওয়ালীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে চাঁদা আদায় করে আসছে।

গত ২৯ অক্টোবর বনবিভাগের পাশ নিয়ে মোজাম মোড়লসহ কয়েকটি নৌকা ফিরিঙ্গি খালে কাঁকড়া আহরণের সময় বনদস্যুরা অস্ত্রের মুখে তাদেরকে জিম্মি করে নৌকা প্রতি এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। এক পর্যায় জেলে মোজাম গাজী, মোজহিদুল ও নুরুজ্জামানকে মারপিট করে বনদস্যুদের ট্রলারে উঠিয়ে গভীর সুন্দরবনের অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন কৌশলে নৌকায় থাকা সমুদয় টাকা দিয়ে লোকালয়ে ফিরে আসে তারা।

শ্যামনগর উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় মুন্সিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মোড়ল ও পার্শবর্তী রমজাননগর ইউপি চেয়ারম্যান আলী আকবর বনদস্যু আকবর আলী ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে বক্তব্য রাখেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার তবিবুর রহমান বনদস্যু আকবরসহ তার বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সভায় উপস্থিত এসআই সুলতান মাহমুদকে নির্দেশ দেন।

একই সাথে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে জেলেদের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত এজাহার দেয়া হয়েছে।  

সোর্স: http://www.bd-pratidin.com/

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।