আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ঢাকা টু সিলেট...... ( মেরাসানী, স্টেশন নং-২৫)

এক সময় বই ছিল আমার নিত্য সঙ্গী , অনেক রাত জেগে বালিশ নিয়ে উপুর হয়ে বই পড়তে পড়তে বুক ব্যাথা হয়ে যেত । পড়া শেষ হতো না । আজো বইয়ের কথা মনে হলে আমার বুকে ব্যাথা হয়, তাদের মলাটে ধুলোর আস্তর জমেছে বলে । বইয়ের পোকা থেকে এখন আমি ইন্টারনেটের পোকা ।

ঢাকা টু চিটাগাং রেল লাইন ধরে হাটা শেষ করেছি।

পরবর্তি পরিকল্পনা ছিল ঢাকা টু সিলেট রেল লাইন ধরে হাটার । আখাউড়া স্টেশনের আগে তিতাস নদীর কড্ডা ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকা টু চিটাগাং আর ঢাকা টু সিলেটের একই রুট হওয়ায় আমি সিলেটের পথে হাটা ধরেছি আসলে তিতাস নদীর কড্ডা ব্রিজ থেকে। আর কড্ডা ব্রিজের আগে যতগুলো স্টেশন আছে সেগুলোও আমি গননায় আনবো। সুতরাং আমার ঢাকা টু সিলেট প্রথম পোষ্টই হবে ঢাকা টু সিলেট ২৪তম স্টেশন। তারপর ২৫..২৬......এভাবেই ক্রমান্বয়ে সিলেট পর্যন্ত যতগুলো স্টেশন গনণা হয়ে যাবে।



আমার হাটার ধরণ তো আপনাদের জানাই আছে। আমি এক ষ্টেশন থেকে পরবর্তী স্টেশনের মধ্যবর্তী স্থানগুলোর ছবি দিব এবং প্রতি ষ্টেশনের জন্য একটা করে পোষ্ট । এতে করে স্টেশনের নাম এবং সংখ্যাটা ও হিসেব হয়ে যাবে ।

আমাদের হাটার ধরণঃ- সারাদিন রিলাক্স মুডে রেল লাইন ধরে হাটব, সন্ধ্যায় গাড়িতে করে বাড়িতে ফিরে আসব । এই সপ্তায় যেখানে আমার হাটা শেষ হবে আগামী সপ্তায় সেখান থেকে হাটা শুরু করবো এবং আবারো সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে আসব ।

এভাবেই পর্যায়ক্রমে আমি সিলেট এর দিকে অগ্রসর হব এবং যতদিন না আমি সিলেট পৌছতে পারি । প্রতি সপ্তাহে হাটা আমার দ্বারা সম্ভব হচ্ছে না, তাই সিলেট পর্যন্ত কবে গিয়ে পৌছব এখনো জানি না, বলতে পারেন অজানা গন্তব্য

স্টেশনের অবস্থানঃ এটা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার অন্তর্গত একটি স্টেশন ।

(২) আজমপুর স্টেশন পার হয়ে আমরা সিলেটের দিকে এগিয়ে চললাম।


(৩) দু'জন মাদ্রাসা ছাত্র রেল লাইন ধরে হেটে যাচ্ছে।


(৪) একজন স্থানীয় সবজি বিক্রেতা।




(৫) মাছ ধরারত বালক।


(৬) জঙ্গল মেহেদির ফুল ও ফল।


(৭) কাজতো একটাই, শুধু হেটে এগিয়ে যাওয়া।


(৮) শাপলা ফুল।


(৯) চাঁদমালা ফুল মালার মতো ফুটে আছে সরোবরে।




(১০) সব সময় তো ক্যামেরার পিছনে থাকি, তাই একটু সামনে আসা


(১১/১২) ছোট্ট চমৎকার এই ফলগুলো আগে কখনো দেখিনি, নাম ও জানিনা।



(১৩) চোখ ধাঁধাঁনো সবুজ ভেদ করে ছুটে আসছে যান্ত্রিক অজগর।


(১৪) স্থানীয় ভাষায় আমরা এই ফলটাকে বলি দাতই, বিচি সর্বস্য এই ফল খাওয়াও যায়, তবে কোন স্বাদ নেই।


(১৫) বাঁশ কঞ্চির এক ধরনের বন্দুক বানিয়ে এই দাতই ফল দিয়া বানাতাম গুলি। কঞ্চির দুই দিকের ছিদ্রে এই ফল ডুকিয়ে যেকোন একদিক থেকে নিচের সরু কন্চিটা দিয়ে জোরে চাপ দিলেই বিপরীত দিক থেকে বুনোফলটা শব্দ করে বের হয়ে যায়।

তারপর একটা একটা করে বুনোফল ভরে চাপ দিয়ে তা ফাটানো হয়...
এই বন্দুক দিয়ে, গায়ে লাগলে ব্যথাও হয় বেশ।


(১৬/১৭) এক সময় আমরা পৌছে যাই পরবর্তি স্টেশন মেরাসানীতে।



আগের পর্বঃ ঢাকা টু সিলেট...... ( আজমপুর, স্টেশন নং-২৪)
পরবর্তি পর্ব হবেঃ ঢাকা টু সিলেট...... ( মুকুন্দপুর, স্টেশন নং-২৬)
 

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.