তিনি শনিবার গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি নগদ সহায়তার চেক তুলে দিয়ে এই আশ্বাস দেন।
শেখ হাসিনা বলেন, “নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি-জামাত স্কুল-কলেজ, জনগণ ও ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর যে তাণ্ডব চালিয়েছে, এমন বীভৎস অবস্থা আর কখনো দেখিনি।
“এরকম জঙ্গিবাদী ঘটনা বন্ধ করতে হবে। যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের বিচার করা হবে। ”
“নির্বাচন না করতে চাইলে করবেন না, জনগণকে বাধা দেবেন কেন? ভোটকেন্দ্র, ভোটার ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালিয়ে জানমালের এসব ক্ষতি করার কি দরকার ছিল,” ভোট বর্জনকারী ১৮ দলের উদ্দেশে বলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।
নতুন করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়া শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার এ সরকার তা করবে।
“অপরাধীদের লালন পালন করে রাজনীতি করবেন তা বাংলার মাটিতে আমরা হতে দেব না। ”
একদিনের সফরে গিয়ে হেলিকপ্টারে দুপুরে গাইবান্ধা তুলসীঘটা হেলিপ্যাডে নামেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়ক পথে সার্কিট হাউসে যান তিনি।
ফাইল ছবি
মতবিনিময়ের পর জামায়াত-শিবির ও বিএনপির সহিংসতায় নিহত সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বাজার পাড়ার বাসিন্দা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ মখদুম হল ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এরা-খলিলুর রহমান মামুন, সুন্দরগঞ্জে কেকই তাজদহ গ্রামের সত্যেনচন্দ্র ও একই উপজেলার জামালহাটের বাসিন্দা আব্দুল হালিমের পরিবারকে ১০ লাখ টাকার চেক দেন।
এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত অন্য পরিবারগুলোকে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
সভা শেষে মধ্যাহ্নভোজের পর বেলা সোয়া ২টায় গাইবান্ধা শহরে আব্দুল হামিদ স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় যোগ দেন হাসিনা। সেখানে কয়েকটি প্রকল্প উদ্বোধন এবং নয়টি প্রকল্পের ভিত্তিস্থাপন করেন তিনি।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।