আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

চাঁদে ক্যামেরা ফেলে এসেছেন ইউজিন

সর্বশেষ চাঁদের বুকে পা রেখেছেন এপোলো-১৭ এর কমান্ডার ইউজিন কারনান। ১৯৭২ সালের ১৯শে ডিসেম্বর তিনি চাঁদের মাটিতে হেঁটে বেড়ান। এখন চলছে তার সেই অভিযানের ৪০তম বর্ষপূর্তি উদযাপনের। এমন সময় তিনি স্বীকার করলেন ওই মিশনে তিনি হয়তো একটি ভুল করে এসেছেন। কি সেই ভুল! নিজেই বলেন, ওই অভিযানের সময় তিনি তার ব্যবহৃত হ্যাসেলব্লেড ব্রান্ডের একটি ক্যামেরা ফেলে এসেছেন।

এর কারণ আছে। তিনি ভেবেছিলেন তার পরে যদি কোন নভোচারী চন্দ্র অভিযানে যান তাহলে তিনি ফেরত নিয়ে আসবেন ওই ক্যামেরা। এতে ততদিনে চাঁদে কি পরিমাণ তেজস্ক্রিয়তা আছে তা ধরা পড়বে ওই ক্যামেরার লেন্সে। কিন্তু ইউজিনের পর আর কোন নভোচারী চন্দ্র অভিযানে যাননি। ফলে তার সেই ক্যামেরাও আর ফেরত আনা সম্ভব হয়নি।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়েছে, ইউজিনের বয়স এখন ৭৮ বছর। তিনি সেই ১৯৭২ সালে যে ক্যামেরা চাঁদের গায়ে ফেলে এসেছিলেন তা এখন প্রকাশ করলেন। তিনি বললেন, একটি পরীক্ষা করার জন্যই তিনি এমনটি করেছেন। পরীক্ষাটি হলো চাঁদের গায়ের তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরিমাপ করা।

তার পরে যদি কোন নভোচারী চাঁদে অভিযানে যান তখন তিনি বা তারা সেটি পৃথিবীর বুকে ফেরত নিয়ে আসবেন এমনই ধারণা ছিল ইউজিনের। তিনি বলেছেন, চাঁদে মানুষ পাঠানো যে এভাবে থেমে যাবে তা তিনি ভাবতেও পারেননি। তাই নিজের ক্যামেরাটি তিনি মহাশূন্যের দিকে লেন্স বসিয়ে চাঁদের গায়ে স্থাপন করে আসেন। কিন্তু সেই বিংশ শতাব্দী এখন কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তার সেই ক্যামেরা আর কেউ ফেরত আনেননি।

আর কখনও তা ফেরত আনা সম্ভব কি না তা নিয়েও তিনি সন্দিহান। এখনকার অর্থে যদি এপোলো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে যেতে হয়, তাহলে তাতে মার্কিনিদের দেয়া ট্যাক্সের অর্থ থেকে ১৫০০০ কোটি ডলার খরচ করতে হবে। নাসা বিশাল এই বাজেটের কথা জেনে কয়েক ডজন প্রকল্প বাতিল করেছে। এর মধ্যে এপোলো’র তিনটি মিশন বাতিল হয়েছে। তথ্যসূত্রঃView this link  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।