সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় যারা সংসদ নির্বাচনে ভোট দেয়নি তারা উপজেলা নির্বাচনে ভোট দিলে হাত পা ভেঙ্গে দেওয়া ও আঙ্গুল কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফিরোজ আহমেদ স্বপন। স্থানীয় এক নির্বাচনী সভায় তিনি এ হুমকি দেন বলে ইসিতে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী শাহিদুল ইসলাম মুকুলের কোনো এজেন্ট যদি ভোটকেন্দ্র যাওয়ার দুঃসাহস দেখায় আর জনগণ তাদের ধরে পিটাতে পিটাতে মেরে ফেলে তবে কারো বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত হবে না বলেও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগের ওই প্রার্থী। গতকাল ইসির কাছে দেওয়া একটি অভিযোগপত্র, অডিও ও ভিডিও ফুটেজ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
অভিযোগপত্রে দেখে গেছে, গত ১১ মার্চ রাত ৮ টায় কলারোয়া উপজেলার যুগিখালী বাজারে আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জনসভায় ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন বলেন, গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে যারা ভোট কেন্দ্রে যায়নি তারা আগামী ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিতে যেতে পারবে না। সরকার বিরোধী কেউ যদি এই নির্বাচনে ভোট দিতে আসে এবং কারও হাতের অঙ্গুলে যদি ভোটের কালির ছাপ দেখা যায় তাহলে তার হাত পা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হবে।
অডিও-ভিডিও থেকে জানা গেছে, বিপক্ষ প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের উদ্দেশ্যে এ আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ২৩ তারিখের নির্বাচনে মুকুলের পক্ষে কোন পোলিং এজেন্ট ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার দুঃসাহস দেখালে জনগণ যদি তাদের ধরে পিটাতে পিটাতে মেরে ফেলে তবে কারো বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত হবে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে, এক মিনিট আগেও ক্ষমতা ছাড়বে না।
তিনি বলেন, তোমরা যারা কলরোয়া উপজেলাকে আতংকিত করেছ আগামী ২৩ তারিখ পর্যন্ত জুবিখালী ইউনিয়ন ছেড়ে দিতে হবে।
এখানে কোনো খুনির স্থান থাকবে না। নির্বাচনের আগে নিজের জীবন বাঁচাতে চাইলে আত্মীয় স্বজনের বাড়ি যান। নইলে জীবন রক্ষা করতে পারবেন না।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।