আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সৈয়দ হকের বাল্যকাল

'শীতের মাস। এই শীতের ভেতরে কুড়িগ্রামের কথা মনে পড়ে। ঘন কুয়াশা, কী শীত কী শীত। হিমালয় তো খুব কাছে। আর বরফ পড়ে না বটে কিন্তু ভোরবেলাতে ঘাসের ওপর শিশির জমে কাচের মতো প্রায় স্বচ্ছ হয়ে যায় এবং সেই শিশির বোধ হয় কাচের মতো নিরেট।

তাতে কাঠিন্য থাকতে পারে। হাঁটলে পায়ের নিচে প্রায় মর্মর মর্মর করে সেই জমাট শিশির ভেঙে যায়। সেটি মনে পড়ে। মনে পড়ে বাবার সঙ্গে বেরিয়ে ভোরবেলায় হাঁটতে হাঁটতে ধরলা নদীর পাড় পর্যন্ত যেতাম, ফুল কুড়োতাম, কচুর গুঁড়ি নিয়ে আসতাম, শিউলি ফুল নিয়ে আসতাম মায়ের জন্য। কেন? ওই শিউলির বোঁটা, মা ওগুলোকে শুকোবেন।

শুকিয়ে পায়েসে যাবে, পোলাওয়ে যাবে, রং হবে। গরিবের ঘরে আর জাফরান কোথায়? ওই শিউলির বোঁটাই খাবারের রং। আমি কিন্তু একেবারেই নিন্মমধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান। খুব কষ্টের ভেতর দিয়ে দিন গেছে। ১৯৪৩ সাল।

পঞ্চাশের মন্বন্তর। ওই সময় আমার বয়স সাড়ে সাত। লঙ্গরখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই সময় শুধু একবেলা খাচ্ছি। ...' ছোটবেলার কথা বলতে গিয়ে বললেন সৈয়দ হক... ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.