... জামাতের পূর্ব পাকিস্তান শাখাকে (জামাত ইসলামী বাংলাদেশ) সমূলে নির্মূল করা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার কারন তারা অন্য রাজনৈতিক দলের মতো নয় ...
ওরা টার্গেট করে প্রধানত শিশু ও নারীদের । স্বল্প শিক্ষিত মধ্যবিত্ত গৃহিণীদের ওরা ছা্ত্রীসংস্থার মাধ্যমে কুরআন ও ইসলামী শিক্ষা দেয়। মহল্লায় মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুরআন শিক্ষার আসর করে। কুরআন ও ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি জামাতি চেতনাকে ঢুকিয়ে দেয়া হয় সুকৌশলে। নিয়মিত সংগ্রহ করা হয় বাইতুলমাল যার রশিদ দেয়া হয় বেগম শামসুন্নাহার নিজামী স্বাক্ষরিত ।
ঘরে ঘরে পাঠাগার বানানো হয় যেখানে মাউলানা মউদুদি, অধ্যাপক গুলাম আজম, আবুল কালাম আযাদ, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর বই সাঈদীর সিডি পাওয়া যায় । ছাত্রী সংস্থার নিয়মিত প্রকাশনাতো আছেই ।
অল্পশিক্ষিত বউ ঝিরা সহজেই মোহিত হন মহিলা কর্মীদের কথায় আর প্রভাবিত হন রাজনৈতিক ভাবে।
আবার, শিশু কিশোরদের জন্য আছে অংকুরের মত সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন। যারা নিয়মিত রিপোর্ট বিলি করে স্কুলে স্কুলে।
ওয়ামী নামক সংস্থার সহায়তায় শিশু কিশোরদের জন্য আছে তাদের নিয়মিত প্রকাশনা "কিশোর কন্ঠ" ও "ইয়ুথ ওয়েব" । প্রতি সপ্তাহে বৈঠকে রিপোর্ট দেখা হয় । রিপোর্টে নামাজ, কুরআন পাঠ,হাদিস পাঠ, ভালো কাজ, খারাপ কাজ আত্মসমালোচনা করতে হয় । তাই তাদের এক্টিভিটি অভিভাবক সমাজে ভালো ইমেজ গড়ে তুলে । রেগুলার বৈঠকে ধীরে ধীরে রাজনৈতিক চেতনা অনুপ্রবেশ করে শিশুদের কোমল মনে, বলা চলে একধরণের সম্মোহনী প্রক্রিয়া ।
অংকুর বিভিন্ন প্রতিযোগীতার আয়োজন করে । মেধাবীদের জন্য বৃত্তি পরীক্ষা, ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয় বছর জুড়ে। নবম শ্রেণীতে উঠলে শিবিরের ফরম পুরন করা হয় । কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গামী শিবির কর্মীরা অংকুরের স্কুল প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করে।
স্কুল জুড়ে তাদের অবাধ বিচরনে স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনো বাধা প্রদান করেনা ।
এছাড়াও তারা পরিচালনা করে প্রবাহ ( স্কুল/কলেজ) , ইনডেক্স ( ভার্সিটি ভর্তি) ,রেটিনা ( মেডিকেল) , কনক্রিট( প্রকৌশল ) কোচিং। যার মাধ্যমে শুধু কোচিং জগতই নিয়ন্ত্রিত হয়না কর্মসংস্থান হয় সমমনাদের।
যার ফলে তাদের শিকড় বিস্তার লাভ করে মেধাবী শিশু কিশোর আর মায়েদের মাঝে। তাই গোড়া থেকেই উঠে আসে জাতির ভিতর হতে বিশ্বাসঘাতকদের বিষাক্ত বটবৃক্ষ । ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।