আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

পৃথিবীর যত সব আজব-অদ্ভুত ... আজকের বিষয়-পৃথিবীর প্রাচীন রহস্য যা আজও সমাধান হয়নি (কত অজানা রে পার্ট-৩২)

আমার "কত অজানা রে" সিরিজের সব গুলো পোষ্ট সংগ্রহে থাকা বই, গুগোল মামা ও বিভিন্ন সাইট থেকে অনুবাদ করা, তবে কোন ভাবেই কপি-পেষ্ট নয়। জানার জন্য পড়ন, ভুল হলে সঠিকটি বলার দায়িত্ব আপনাদের। আনন্দের সাথে পড়ুন। আমার ব্লগ কেচাল মুক্ত। রহস্য ভালবাসে না এমন মানুষ দুনিয়াতে নাই।

অতি প্রাচীন কাল থেকেই মানুষ রহস্যের পিছনে ছুটছে। কিছু রহস্য মানুষ উদ্ধার করতে পারে, কিছু রহস্য মানুষ কখনোই উদ্ধার করতে পারে না। আজ তেমনি কিছু রহস্যের কথা বলবো। চলুন আপনাদের ঘুরিয়া আনি কিছু বহুল প্রচলিত রহস্যময় দুনিয়া থেকে। (এই গেল রহস্যের তৃতীয় কিস্তি) ১০) Antikythera Mechanism ৮০ সালের দিকে গ্রিসের দক্ষিনসাগরে একটি বানিজ্য জাহাজ ডুবে যায়।

প্রায় দুই হাজার বছর পর ১৯০০-১৯০১ সালের দিকে সিমি দ্বীপবাসীরা জাহাজটা খুজে পায় এবং এর গুদামের প্রায় সব মালই আলেকজান্ডিয়ায় সুভেনিয়ার হিসাবে বিক্রি করে দেয়। আমাদের দেশের চেয়েও ঢিলা গ্রীস সরকার যখন উদ্ধার অভিযানে নামে তখন আর কিছু না পাইলেও একটা জিনিস পায়। গেস হোয়াট, সেটি Antikythera Mechanism। এই মেশিনের বিশেষত্ব কি তা পরে বলছি, তার আগে আসেন পড়ি এই মেশিনের উপর এক্সপার্ট Professor Michael Edmunds of Cardiff University কি বলে, "This device is just extraordinary, the only thing of its kind. The design is beautiful, the astronomy is exactly right. The way the mechanics are designed just makes your jaw drop. Whoever has done this has done it extremely carefully ... in terms of historic and scarcity value, I have to regard this mechanism as being more valuable than the Mona Lisa" — 30 November 2006 এখন কিছু তথ্য হজম করেন। - এটি দুনিয়ার প্রথম এনালগ কম্পিউটার।

(বিল গেটসের ব্যবসায় লাল বাত্তি জ্বললো বলে) - এটি এমন একটি মেশিন যা এসট্রোনমিকাল পজিশন নিখুত ভাবে নির্নয় করে। - এতে ৩০ ব্রোন্জের গিয়ার ছিল। - ২০০০ বছরের পুরান কম্পিউটার এটি। এটা কিসের মেশিন, কি কাজে ব্যবহৃত হতো তা বুঝতেই মর্ডান সাইন্সের সময় লেগেছে নগদে ১০০ বছর। ঠাট্টা না সত্যি।

যাই হোক ২০০৭ সালে এর একটি রিপ্লিকা তৈরি হয় যা গ্রিসে গেলে ন্যাসনাল আর্কেওলজিকাল মিউজিয়াম অফ এথেন্স এ দেখতে পাবেন। (বি.দ্র.মাসুদরানা৪২২/ট্রেজার হান্টার পড়া থাকলে অনেক কিছুই জানেন এইটার ব্যপারে) ১১) Baghdad Battery ১৯৩৬ সালে বাগদাদে একটি মাটির পাএ পাওয়া যায়, না সোনার মোহর ভর্তি কোন পাএ এটা ছিল না, এটা ছিল একটি ব্যাটারি । অবাক করতে পারলাম না ?? ওকে এটা হজম করেন দেখি, এটি যিশু খ্রিষ্টের জন্মেরও আগে তৈরি। এখন বলেন ?? তাও অবাক হচ্ছেন না ?? তাহলে এই প্রশ্নের জবাব দেন দেখি, এতো আগেতো ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি ছিল না, ব্যাটারি দিয়া কি করতো?? ১২) Shroud of Turin একটুকরা লেলিনের কাপড়, তাতে ভেসে উঠে একটা মুখের প্রতিচ্ছবি। ব্যাস, রহস্য এখানেই শেষ হতে পরতো।

কিন্তু আমদের মেধা কতটা অসহায় তা বুঝানোর জন্য এই সব সমান্য জিনিসে অসামান্য কিছু দিয়ে প্রকৃতি আমাদের সাথে খেলা করে। ধারনা করা হয়, প্রতিচ্ছবিটি জিসাস ক্রাইস্টের। ভাল করলে দেখতে পাবেন প্রতিচ্ছবিটির মাথায় ক্রসিফাইডের টর্চারের আঘাত আছে। কাপড় টি ১০০০ বছরের পুরান। ১৩) The Coso Artifact রিয়েলি ??? স্পার্ক প্লাগ ??? ৫,০০,০০০ বছরের পুরান পাথরের ভিতরে ??? সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য যুক্তিটি কি জানেন, টাইমমেশিন!! দুনিয়ার তাবত সাইনটিস্টদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে না হলে তারা এতোটাই অসহায় যে টাইমমেশিনে বিলিভ করা শুরু করছে।

প্রশ্ন এখানে তিনটা, উত্তর দিতে না পারলে ফেল। প্রশ্ন১: ৫,০০,০০০ বছর আগের একটি পাথরের ভিতরে স্পার্ক প্লাগ আসলো কি ভাবে ? প্রশ্ন২: সব মানলাম, কিন্তু এতো আগে স্পার্ক প্লাগ দিয়ে কি স্টার্ট দেওয়া হতো ? প্রশ্ন৩: তাহলে কি টাইম মেশিন আসলেই একদিন আবিস্কার হবে? আপনাদের থিওরী কি বলে? আশা করি, এই রহস্যের সমাধান আপনাদের কাছে আছে?? হি হি হি ... ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ১৬ বার

এর পর.....

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.