আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

জীবনানন্দ

প্রতিদিন ঘুমের আগে ও পড়ে আড্ডা খাই 'বনলতা সেন' হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে সিংহল সমুদ্র থেকে আরো দূর অন্ধকারে মালয় সাগরে অনেক ঘুরেছি আমি। বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে সেখানে ছিলাম আমি। আরো দূর অন্ধকার বিদর্ভ নগরে আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন, আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন। চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা, মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য। অতিদূর সমুদ্রের'পর হাল ভেঙ্গে যে নাবিক হারায়েছে দিশা, সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি দ্বীপের ভিতর, তেমনই দেখেছি তারে অন্ধকারে।

বলেছে সে"এতোদিন কোথায় ছিলেন?" পাখির নীড়ের মত চোখ তুলে চাওয়া নাটোরের বনলতা সেন। সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে। ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল। পৃথিবীর সব রঙ মুছে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন, তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল। সব পাখি ঘরে আসে- সব নদী।

ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন। থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।  ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।