আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

প্রসঙ্গ [] চলচ্চিত্র ‘নৃ’

চলচ্চিত্র ‘নৃ’র ব্যাপারে কোনো গণমাধ্যমকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। তবে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক স্ব-উদ্যোগেই খোঁজ-খবর নিয়েছেন, সংবাদও পরিবেশন করেছেন। শুরুতেই ‘নৃ’ পরিবারের পক্ষ থেকে সমমনা সেই সংবাদকর্মিদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। গুগল অনুসন্ধানের সহায়তায় খুঁজে পাওয়া তাদের কয়েকটি প্রতিবেদনের লিংকও এখানে শেয়ার করা হল। [link| [] Click This Link দৈনিক যুগান্তর] [link|http://manobkantha.com/2013/04/14/116597.html|[]দৈনিক মানবকণ্ঠ] [link|http://www.primekhobor.com/details.php?id=21467|[]প্রাইমখবরডটকম] [link| Click This Link ] [link| Click This Link বরিশাল ডটকম] বাংলাদেশ ছাড়া বিভিন্ন দেশের মানুষ আমাদের ফেসবুক পেইজে অংশগ্রহন করে আমাদের অনুপ্রাণিত করছেন প্রতিনিয়ত।

নানা ধরনের কৌতুহল, প্রশ্ন আসছে আমাদের কাছে। প্রশ্নগুলোর প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ জবাব আমরা নিয়মিত আমাদের বক্তব্যে প্রকাশ করে যাচ্ছি। বিশেষ করে দুই বাংলার মানুষের কৌতুহল এ ক্ষেত্রে অনেক বেশি। কৌতুহলী প্রচার মাধ্যমগুলোও। তাই ‘নৃ’ পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কিছুদিনের মধ্যেই তারা সমস্ত প্রশ্নের জবাব নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে দাঁড়াবে।

দেখা যাচ্ছে..আর্ট ফিল্ম, কমার্সিয়াল ফিল্ম; ডিজিটাল, ৩৫এমএম.. দ্বন্দ্বে ভূগে অনেকেই এই চলচ্চিত্রের মাধ্যম-ধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের জ্ঞাতার্থে আবারো বলছি- আপামর বাংলার রং-রূপ-শব্দ নিয়ে ছিমছাম সাদামাটা নাটকীয়তায় সাজানো সম্পূর্ণ বাঙলাময় অথচ আধুনিক ভঙ্গীর প্রকাশনায় ‘নৃ’ একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সিনেমা। হ্যাঁ সিনেমা। আমাদের দাবী- চলনে বলনে ‘নৃ’ বড় পর্দার উপযোগী একটি পূর্ণাঙ্গ সিনেমা। সমাজ ও সময়কে বুকে ধারন করা গল্পচিত্র- ‘নৃ’।

সার্বজনীন ভাষায় : ‘সামাজিক সিনেমা’। বানিজ্যিক ধারার প্রচলিত বৈশিষ্ট এড়িয়ে শিল্পমান সমৃদ্ধ একটি কাহিনীচিত্র প্রকাশের প্রচেষ্টা রয়েছে এই সিনেমায়। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, বিজ্ঞাপনী শ্লোগান নয়- বাবা-মা-দাদা-দাদী-মামা-চাচা-খালা-খালু-বন্ধু-বান্ধব-আরশী-পরশী-আন্ডা-বাচ্চা সহ পরিবারের সকলকে নিয়ে হলে গিয়ে বাদামভাজা চিবুতে চিবুতে নিশ্চিন্তে উপভোগ করার মত সিনেমা হবে ‘নৃ’। যেহেতু বহুদিন পর সত্যিকারের ‘সামাজিক সিনেমা’র গন্ধে দর্শকই দর্শক টেনে আনবে হলে, সেই বিশ্বাস হেতু ‘নৃ’ তার ব্যবসায়িক অবস্থানেও দারুন গতিময় হবে বলে আমরা আশাবাদী। ‘নৃ’ মানে মানুষ।

যে মানুষের উৎপত্তি মাটি থেকে। মাটি আর মানুষের মাখামাখি সম্পর্ক তাই সবসময়েই বড্ড নিবিড়। ‘নৃ’ এখানে তাই শ্লোগান তুলছে- অতপর কভূ মাটি ছাড়বে না পা হাওয়ায় না ভাসুক দাঁড়াবার ভরসা মাটির মানুষ মাটিতে বিচরন করবে। প্রাণ-প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ উপলব্ধিতে স্পন্দিত হবে অনু-রেনুতে। সুবিশাল মায়া আর ভালবাসাবাসিতে পারস্পরিক সংযোগ স্থাপনে শক্তি আর উৎফুল্ল উৎকর্ষে গড়িয়ে নিয়ে যাবে প্রান-চঞ্চল সময়কে।

প্রাণে প্রাণ মিলে হবে মহাপ্রাণ। মাটিতে রচিত প্রোথিত যে প্রাণের ইতিহাস। তাই মানুষের তৈরি যে কোন সংজ্ঞায় দাঁড়াবার আগে আমাদের মাটি ও মানুষের সম্পর্ক সংজ্ঞা স্পষ্ট হতে হবে। মানুষের সংজ্ঞা জানতে হবে। সবকিছু হবার আগে মানুষ হবার আছে যে।

এমন একটা সহজ সার্বজনীন মানব সমাজ এর স্বপ্ন দেখে গেছে অনেকেই। বিভেদের মন্ত্র ভুলে একাকার হবার বাসনায়। স্ব-ঘোষিত দম্ভিত সভ্যতার আঁচড়ে বিক্ষত সময়ের এই ক্ষণে এসে আমরাও এমন বাসনা ব্যক্ত করছি। আর বাসনাটা ব্যক্ত করছি চলচ্চিত্র নামক অসম্ভব শক্তিশালি একটা মাধ্যমের আশ্রয়ে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাকে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রয়োজনেই চাঙ্গা রাখতে হচ্ছে কালো শকুনদের।

পক্ষান্তরে ভূগছে সাধারন পৃথিবীবাসী। মানুষ থেকে মানুষে আলাদা করার শত-সহস্র-কোটি দৃশ্য-অদৃশ্যমান দেয়ালে আজ আমাদের দমবন্ধ দশা। ক্রমাগত ছোট হয়ে যাচ্ছে চোখের সামনে পৃথিবী। সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে অমিত সম্ভাবনাময় মানুষের মেধা-মনন। লোপ পাচ্ছে মানবতা।

বৃহৎ, উদার, বিশালতার সব সংজ্ঞার মানেও দেয়ালবন্দী পৃথিবীতে খাবি খাচ্ছে। প্রেক্ষিতে ঘটছে কেন্দ্রিক স্বার্থের আগ্রাসন। শান্তির পৃথিবীতে সংকীর্ণ স্বার্থের লোলুপতায় ঘটছে অনর্থ অস্থিরতা আর তাবৎ অপকর্ম। মানুষের অসীম খাই খাই রোগে সব হারিয়ে প্রতিনিয়ত ভারসাম্য হারাচ্ছে প্রকৃতি। এরই মাঝে এই কালো সময়ের বুকে এতটুকু আলোর বারতা নিয়ে আমাদের প্রচেষ্টা- ‘নৃ’।

মাটি আর মানুষের নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার প্রচেষ্টা- ‘নৃ’। শেকড় থেকে শাখায় পৌঁছে দিতে সেই সার্বজনীন বোধের বারতা, এই চলচ্চিত্র নতুন কেমিস্ট্রি ফেঁদেছে। আর তা সময়ের প্রয়োজনেই। আমরা জানি- সময় কখনোই পেরোয় না- মানুষকে তার মানবতার সঠিক বোধে দাঁড় করিয়ে দেবার। মানুষকে মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার।

যে মানুষটাকে নিজের অজান্তেই সে খুঁজে চলে নিরন্তর। আসুন সেই সত্যিকারের মানুষটাকে খুঁজে বার করি, উদ্ধার করে আনি নিজের ভেতর থেকে। আর শান্ত করি সময়কে। শুনুন- একটু শুনুন- কান খাড়া করলেই শুনতে পাবেন প্রকৃতিতে প্রতিনিয়ত বন্দনা হয় মানুষের। বাতাসে অবিরত ভাসে সেই ফিসফাস কানাকানি- নৃ..ওমম..নৃ.. শুনতে পাচ্ছেন কি ?? ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।