আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

“সংখ্যালঘু” ও সংখ্যালঘু নিয়ে রাজনীতি



শব্দে দোষ নাই, দোষ উদ্দেশ্যে। খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কোন ভাল শব্দ ব্যবহার করলেই শব্দটাকে খারাপ মনে হবে। ৭% হোক, আর ০.০৭% হোক, একটা দেশের সব জনগোষ্ঠীর অধিকার সমান-সমান। সংখ্যার ভিত্তিতে কম-বেশী অনুপাতে জনগোষ্ঠী থাকবেই।

মুসলিম বাদে অন্য সম্প্রদায়ের উপর আঘাত আসলেই মানুষ সাম্প্রদায়িক হয়ে উঠে, সাম্প্রদায়িক পরিচয়টাকে প্রাধান্য দেয়।

আর মুসলিমদের বেলায় সবসময় অসাম্প্রদায়িক হতেই হবে; যত দোষ নন্দ ঘোষ(ইসলাম ধর্ম)। মূল কথা হল সবাইকে নিজ নিজ সম্প্রদায়ের গণ্ডির মধ্যে থেকেই সামাজিক বন্ধন সমুন্নত রাখতে হবে। অপরাধী-সন্ত্রাসী-পথভ্রষ্টদের দোষ-অপকর্মের দায়ভার একতরফাভাবে সবার উপর দিলে বড্ড ভুল হবে।

আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিবেচনা করলে একটা দেশের এই সাম্প্রদায়িক টানাপোড়েন নিয়ে অনেক বহুদেশীয় রাজনৈতিক খেলা হয়। কেন আমাদের দেশের সনাতনধর্মালম্বী মানুষদের ভাগ্য নির্ধারণে ভারতের দিকে তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে, কেন বৌদ্ধধর্মের মানুষদের বিপদে চীন-মায়ানমার উত্তেজিত হয়ে পড়বে? তারা কি ঐসব দেশের মানুষ? তারা তো এই দেশের-ই মানুষ।

তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের। তাদের সুবিচার দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।

সমাজে অকারণ উত্তেজনা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকুন, উত্তেজনা সহিংসতা ডেকে আনে। ধর্মের রীতি-নীতিতে দোষ না, দোষ মানুষের অন্তরে। তাই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টি করে যারা নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় বা বিপরীত আদর্শকে বড় করে তুলতে চায়, তাদেরকে চিনে রাখুন।


অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.