আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

তুরস্কে বিক্ষোভে সরকারি কর্মচারীদের সমর্থন

তুরস্কের আঙ্কারা ও ইস্তাম্বুলে টানা চতুর্থ দিনের মতো গতকাল সোমবারও সরকারবিরোধীদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ বিক্ষোভে সমর্থন জানিয়েছেন প্রায় ২৪ হাজার সরকারি কর্মচারী।
তবে পরিস্থিতি এখন অনেকটা শান্ত বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী রেসিপ তাইয়েপ এরদোগান। আজ মঙ্গলবার বিবিসি ও ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গতকাল হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ইস্তাম্বুলে তাসকিম স্কয়ারে জড়ো হন।

বিক্ষোভকারীদের অনেকে এ সময় এরদোগানের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন। তাঁদের হাতে লাল পতাকা ও ব্যানার দেখা গেছে।
বেসিকতাস শহরে এরদোগানের কার্যালয়ের কাছে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।
এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেন, ‘পুলিশ বাড়াবাড়ি করছে। আমাদের প্রত্যাশা, এসব ঘটনার পুরোপুরি তদন্ত হবে এবং পুলিশকে এ ধরনের তত্পরতা থেকে বিরত রাখা হবে।


ইস্তাম্বুলে পার্ক ধ্বংস করে বিপণিকেন্দ্র নির্মাণ পরিকল্পনার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভের শুরু। পরে তা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর ইসলামপন্থী জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির বিরুদ্ধে ছড়িয়ে পড়ে।
বামপন্থী ১১টি শ্রমিক ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত কনফেডারেশন কেসক এ বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দুই দিনের ধর্মঘট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেসক অভিযোগ করেছে, এই সরকার যা করছে, তা ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’। সরকার গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল করে দিচ্ছে।


এদিকে প্রধানমন্ত্রী এরদোগান দাবি করেছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটা শান্ত হয়ে এসেছে। গতকাল সোমবার চার দিনের সফরে তিনি মরক্কো যান। মরক্কোর রাজধানী রাবাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এখন পরিস্থিতি অনেকটা শান্ত হয়ে এসেছে। আমি ফিরতে ফিরতে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
এসব ঘটনায় রিপাবলিকানস পিপলস পার্টি ও অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাত রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।


তবে প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ গুল বিক্ষোভকারীদের বিক্ষোভের অধিকার রয়েছে বলে স্বীকার করে জানান, তাঁদের বার্তা সরকারের কাছে পৌঁছেছে।
আরও একজন নিহত
সংঘর্ষের ঘটনায় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যুর সত্যতা আন্তাকা শহরের গভর্নরের কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। বিরোধী দল রিপাবলিকানস পিপলস পার্টির একটি শাখার সদস্য আবদুল্লাহ কোমার্ট (২২) সংঘর্ষ চলাকালে আততায়ীর গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন। পরে হাসপাতালে তিনি মারা যান।
এর আগে গত রোববার বিক্ষোভের মধ্যে সংকেত অমান্য করে ঢুকে পড়া একটি গাড়ির চাপায় মেহমেত আয়ভালিতাস নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়।

সোর্স: http://www.prothom-alo.com     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.