আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিলুপ্তির পথে গরুর গাড়ী

আমি খুব সহজ এবং তার চেয়েও বেশী সাধারন একজন মানুষ । আইটি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করছি। টুকটাক ছাইপাশ কিছু লেখালেখির অভ্যাস আছে। মানুষকে ভালবাসি। বই সঙ্গে থাকলে আমার আর কিছু না হলেও হয়।

ভালো লাগে ঘুরে বেড়াতে। ভালবাসি প্রকৃতি; অবারিত সবুজ প্রান্তর। বর্ষায় থৈ থ বিলুপ্তি হতে চলেছে গ্রাম বাংলার এক সময়ে যোগাযাগের প্রধান বাহন গরুর গাড়ী। এক সময় মানুষ কৃষি কাজ থেকে শুরু করে বিয়ে-সাদীর কাজে যাতায়াতের জন্য এ গরুর গাড়ী ব্যবহার করত। গ্রামের পথে প্রান্তরে গরুর গাড়ী চালকদের মুখে শুনা যায়না ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই, কতো রব আমি পন্থের দিকে চাইয়ারে..... ।

আধুনিক সভ্যতার যান্ত্রিক বাহনের কারণে গরুর গাড়ী আজ এক সময়ের রুপ কথার গল্প। তারপরও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের কাদা মাখা মেঠোপথে কখনো কখনো গরুর গাড়ী নজরে পড়ে। তেমনি এক গাড়িয়ালের দেখা মিলে ফটিকছড়ির কাজিরহাটে। নাম তার করম আলী, ছোটকাল থেকেই গরুর গাড়ী চালান তিনি। তিনি বলেন, পাড়া গায়ের কৃষক, ক্ষুদে ব্যবসায়ীর কাছে আজকাল তেমন গরুর গাড়ীর কদর নেই।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে নতুন ধান জমি থেকে কৃষকের আঙ্গিনায় নিয়ে আসার অন্যতম মাধ্যম ছিল গরুর গাড়ী । শুধু গাড়ী নয়, এ অঞ্চলে এলাকা ভেদে মহিষের গাড়ীতেও কৃষক তার ঘাম ঝরানো ফসল বাড়ির আঙ্গিনায় নিয়ে আসতো মনের আনন্দে। বাপ দাদার পেশা আজো চাড়তে পারেনি তাই আজো গাড়ী চালায় বললেন, করম আলী । এক সময় হাটহাজারী,ফটিকছড়ির রাঙ্গামাটিয়া, কাজিরহাট, কাঞ্চনগর, নারয়নহাট, সুয়াবিল, গোপালগাট্টা, খিরাম, ধর্মপুর এলাকায় ছোট বড় মহাজনের ঘরে ছিল গরু-মহিষের গাড়ি। এখন তা আর দেখা যায় না ।

পল্লীতে যান্ত্রিক যানবাহনের ফলে গরু মহিষের গাড়ীর চাহিদা বর্তমানে কমে গেছে। তবে তা আমাদের ঐতিহ্য। ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।  ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.