আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

জোনাকি পোকা রাতে দেখেছেন আসলে প্রানি টা কেমন জানেন কি ? কিভাবে সে আলো ছড়ায়

আমি অনেক কিছু সাহস করে বলতে চেয় ও বলতে পারি না যখন দেখি আমার পাশের মানুষ গুলো পিছু হটে যায়... যখন দেখি সবাই নিজেকে নিয়ে অনেক বেশি ভাবে,তাই আমি ও কিছু বলতে চাই আমার প্রিয় ব্লগে... সজোরে আওয়াজ তুলতে চাই আমার ভালো লাগা লেখনি দিয়ে আমরা রাতে প্রায়ই জোনাকি পোকাকে দেখি। গ্রামে সেটা প্রতিদিন। জোনাকি পোকাই একমাত্র পোকা যাকে আমরা প্রায়ই দেখি আর অন্ধকারেও পরিষ্কার চিনতে পারি তাঁর সবুজ আলোর দ্বারা। কিন্তু আমরা কখনই সেই সম্পর্কে জানার আগ্রহ সেভাবে প্রকাশ করি নি? আপনারা কি জানেন জোনাকি পোকার আলোর রহস্য? না জানলে জেনে নিন, কারন আমাদের চারপাশে থাকা প্রাণীদের সম্পর্কে জানাটা বেশ প্রয়োজন। আসলে জোনাকি পোকার আলোর এই উৎস হল তার তলপেটের নিচের ঠিক মাঝখানের অংশটি।

জোনাকির বা Lampyris noctiluca [বিজ্ঞানসম্মত নাম]এর তলপেটের নিচের অংশটি দিয়ে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়, যার নাম লুসিফেরিন আর এই রাসায়নিক পদার্থই হল জোনাকি পোকার আলোর এই উৎস। জোনাকি যে অক্সিজেন গ্রহন করে, সেই অক্সিজেন দ্বারা এই লুসিফেরিন নামক রাসায়নিক পদার্থ টি জারিত হয় এবং এই জারণে লুসিফারেজ নামক এনজাইম সাহায্য করে। আর এই জারণ বিক্রিয়াটি সম্পাদন করতে যে পরিমাণ শক্তি বা আলো উৎপন্ন হয়, তার মাত্র ২% হল তাপ । অর্থাৎ খুবই কম পরিমান সি কারনেই এই আলোকে [ জারণ সম্পাদন করতে যে পরিমাণ শক্তি] এত স্নিগ্ধ ও মৃদু মনে হয়। এই আলটি বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করতে সাহায্য করে।

গোটা পৃথিবীতে প্রায় ৬০০ প্রজাতির জোনাকি আছে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।