সোশ্যাল মিডিয়া ব্লগ http://www.socialnewsbd.com/
মনে আছে কনকর্ড এয়ারলাইন্স এর কথা? বিশ্বের সবচেয়ে ব্যায়বহুল যাত্রিবাহী বিমান এবং অবসরের আগ পর্যন্ত বিশ্বের সব চেয়ে দ্রুত গতির যাত্রিবাহি বিমান ছিল কনকর্ড। ব্রিটিশ এয়ায়োয়েজ এবং এয়ার ফ্রান্স এর যৌথ মালিকানাধিন ছিল এই কনকর্ড। যারা রাজসিক বিমান ভ্রমন করতে চাইতেন, তারা এই কনকর্ড এ যাতায়ত করতেন। ক্রমবর্ধ্মান ক্ষতির কারনে কনকর্ড বন্ধ হয়ে যায় ২০০৩ সালে, আর এই শেষ যাত্রা শেষ হয় ও রাজসিক ভাবে। কনকর্ডের শেষ যাত্রার টিকিট বিক্রি হয় অত্যন্ত উচ্চমূল্যে এবং পূথিবীর বাঘা বাঘা ব্যাক্তিরা কনকর্ডের শেষ যাত্রার অংশিদার হয়েছিলেন।
যারা কনকর্ডের চিন্তায় নস্টালজিক হয়ে যান এবং মনে করেন আধুনিক এয়ারলাইন্স গুলো ক্যানো কনকর্ডের মত হতে পারছে না তাদের জন্যে রয়েছে সুখবর, একটি নতুন সুপারসনিক জেট আনতে যাচ্ছে বোইং লকহেড মার্টিন, গালফস্টিম এবং নাসার সমন্বিত উদ্যোগ যা কনকর্ডের মতই। অস্ট্রেলিয়ান নিউজ ডট কমের খবর অনুযায়ী যানা গেছে আমেরিকার মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলেছেন ' কনকর্ডের শিশু" যা নিউইয়র্ক থেকে লন্ডন, প্যারিস এ পৌছুবে অর্ধেক সময়ে এবং লন্ডন থেকে সিডনি পৌছুবে মাত্র ৪ ঘন্টায়।
নতুন এই সুপারসনিক জেটটির প্রোটোটাইপ ভার্সন আগামী মাসে লন্ডনের ফার্নবোর্গ এয়ার শো তে দেখান হবে বলে জানা গেছে।
সবচেয়ে বড় বাধা যেটা বিজ্ঞানিরা দূর করতে চেষ্টা করছেন তা হল উচ্চ সনিক বুম যা কনকর্ডে ছিল। ডেইলি মেইল এর তথ্যে জানা গেছে গালফস্ট্রিম ইঞ্জিনিয়ার রা নতুন জেটের শব্দ কে খুব হাল্কা এবং কম করার চেষ্টা করছেন।
"সাধারনত কম সনিক বুম বানানো অনেক ব্যায়বহুল কিন্তু আমরা এটা করবই কারন এটা অসম্ভব নয়" জানিয়েছে পিটার কিয়ন, নাসার সুপারসনিক ফিক্সড উইং প্রোগ্রাম ম্যানেজার।
বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন বিমান হল গালফস্ট্রিম এর জি৬৫০ বিমান যা ঘন্টায় ১০৪১ কিমি যেতে পারে এবং সর্বোচ্চ স্পিডে ১০৩৩ কিমি জেতে পারে ঘন্টায়।
নতুন কনকর্ড এর কোডনেম রাখা হয়েছে এক্স-৫৪ যা ঘন্টায় প্রায় ৪০০০ কিমি যেতে পারবে। এটা হবে পুরোনো কনকর্ডের থেকে দ্বীগুন গতি। তবে ২০২০ ও ২০৩০ এর পূর্বে এই বিমান এ ভ্রমন আশা করা যাবেনা।
পূর্বে এখানে প্রকাশিত : ফিরে আসছে কনকর্ড এয়ারলাইন্স - নতুন সুপারসনিক বিমান ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।