আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

চারিদিকে এত্ত ক্রাশ! এতো পুরাই সর্বনাশ!!

কথা প্যাঁচাই না। চারিদিকে সব ইউনিভার্সিটির পুলাপানের ক্রাশ! ক্রাশের ফেসবুক পেজগুলাতো কয়েকদিনেই রীতিমত ত্রাশের সৃষ্টি করে ফেলসে! কিন্তু খালি ইউনির পোলাপানের ক্রাশেই তো ক্রাশের শেষ নয়। চলতে ফিরতে কে যে কোথায় ক্রাশ খায়, তা জানারই বা কি উপায়! ক্রাশের প্রকারভেদ বাইর করতে গিয়া তো আমার নিজেরই এক্কেরে হাঁসফাস অবস্থা!! তারপর-ও আরো কিছু কমন ক্রাশের কথা আপনাদের জানাইতেছি। কাজের বুয়ার উপর ড্রাইভারের ক্রাশঃ সখিনা, ফথম যেদিন গাড়ি লয়া এই বাড়ির ভিতরে ঢুকিছিলাম, তুমি তহন কূয়ার ফাড়ে কাপড় কাইচতেছিলা। আমার মনে হইলো আমি ফিথীবীতে কুনোদিন এত সুন্দর কইরে কাউরে কাপড় কাচপার দেহি নাই।

কাপড় কাইচপার-ও যে একখান সৌন্দর্য্য থাইকপার পারে হেইডাও হেদিন ফথম মাথাত আইসলো। কাপড় খান না, তুমি যেন আমার দিল খানি কচলায়া দেতেছিলা সখিনা! কাপড়ে তো সাবান না, মনে হচ্চিল যেন ফেচ পাউডার মাইখতেছিলা! সত্যি কতা কইতেসি সখিনা! আমার চৌদ্দগুষ্ঠিতেও কেউ এত সুন্দর কইরে কাপড়ে সাবান মাইখবার পারবে না!! কলের পানিরে আমি ঝর্ণা মনে কইরে দুই মিনিট তব্দ খায়া ছিলাম! শেষে তুমি ছলনা কইরা আমার মুখে এট্টু পানি ছিটায়া দিয়াই তব্দ থে জব্দ কইরলা! হায় সখিনা! তুমারে চুরি কইরে কত চুড়ি কেনে দিসিলাম। আইনে দিসিলাম আচার, লয়া গেসিলাম মেলাতে! আর সেই তুমি কিনা আমার দিলে চাক্কু মাইরে হারামজাদা মালির হাত ধইরে পলায়া গেলা!!! ভুইলপো না আমি। ভুইলতে পারবো না তুমায় সখিনা। তোমার উপর আমার বিরাট ক্রাশ।

তুমি শিগগীর ফিরা আইসো। দেইখপা এই ড্রাইভার এখনো তুমারই আসে!! গৃহশিক্ষকের উপর ছাত্রীর ক্রাশঃ মন্টু স্যার, আপনি কি জানেন যে আড়ালে আমি আপনাকে জান্টু স্যার বলে ডাকি?? আপনি প্রথম যেদিন আমাকে পড়াতে এলেন সেদিন থেকেই আপনার উপর আমার ভয়াবহ ক্রাশ। আপনি যখন হাত নেড়ে (a+b)^2 এর সূত্র বুঝাতে থাকেন তখন আমার মাথা ঘুরতে থাকে। আমার খালি কেন জানি মনে হয় যে আপনি হলেন a, আর আমি হলাম b, আর এই ঘর হলো ফার্স্ট ব্র্যাকেট, আর দরজা বন্ধ করে শুধু আপনার সাথে square square খেলতে থাকি! আপনার কারণে আমার পড়তে ভালো লাগে না, খাইতে মুঞ্চায় না, এমনকি স্টার প্লাস-ও দেখতে মুঞ্চায় না!! আপনি এমন কেন বলেনতো? আপনে যদি আপনার ভার্সিটির ঐ প্রভামার্কা বান্ধবীরে না ছাইড়া দেন, তাইলে আমারে ক্রাশ খাওয়ানোর অপরাধে আমি আপনার সর্বনাশ করে ছেড়ে দিবো, হু! বাড়িওয়ালার মেয়ের উপর ভাড়াটিয়া ছেলের ক্রাশঃ মলি তুমি এত্ত সুন্দর কেন, বলতো? তোমাদের বাসায় যেদিন প্রথম বাসা খুজতে আসি সেদিনই নতুন বাসার চেয়ে তোমাকেই বেশী মনে ধরছিলো। আর তাই তুমাদের বাড়িতে গ্যাস নাই, পানি নাই, তাও এক রুমের ভাড়া ৫০০০ ট্যাকা দিয়া থাকতাসি।

খোদার কসম, ঢাকা শহরে এর চেয়ে অনেক ভালো বাসা পাইছিলাম, মাগার বাড়িওয়ালার এত্ত সুন্দর মাইয়া আর একটাও পাই নাই! তোমার খবিশ বাপে বিরাট বিলখেলাপী, তাও তোমার কারণে ডেইলী তারে মাফ কইরা দেই। সারাদিন খালি অপেক্ষায় থাকি তুমি কখন আইসা বলবা “ভাইয়া, পানি ছাড়ছি। ১০ মিনিট পানি থাকবে। এই ফাঁকে গোসল কইরা নেন। ” বিশ্বাস করো তোমারে দেখা মাত্রই আমি গোসলের কথা একদম ভুইলা যাই! আর তাই ডেইলী ১০ মিনিট পানি থাকার পরও একদিন-ও গোসল করা হয় নাই! আমার উপর রাগ করো না সোনা! আমার শরীর থেইকা খাটাশের মত গন্ধ আসতেই পারে, কিন্তু মনটা এক্কেবারে খাটের মতই বিশাল।

তুমি রাইতে আইসো, তোমারে সেই খাটে আরামে ঘুম পাড়াবো, কেমন? কলেজ শিক্ষিকার উপর ছাত্রের ক্রাশঃ গুল্লু ম্যাডাম, আপনি এত্ত হার্ডকোর কেন? আপনার কারণে আমি সহ প্রায় বিশজন এইবার বাংলায় ফেল করসি! আপনে কেন বাংলা পরীক্ষার দিন গার্ড দিতে আইলেন, কন তো!? কোশ্চেন তো পুরা পান্তাভাত ছিলো কিন্তু আপনের কারণে ঐটারেই মনে হইলো GRE পরীক্ষা! আপনে আমার খাতা সেইদিন মাত্র একবার নিলেন, কিন্তু ইজুর খাতা ২বার নিলেন কেন?? আপনে জানেন এই প্রশ্নের জবাব না পাওয়া পর্যন্ত আমার আর বাংলায় পাশ করা হবে না!! আপনি প্লিজ পরের পরীক্ষায় আমার খাতা কমপক্ষে তিনবার নিয়া যাইবেন, আর ইজুরটা দুইবার। নইলে আমি আর লুকায়া লুকায়া আপনার মুবাইলে sms পাঠামু না। রাস্তার ললনার উপর জনৈক কবির ক্রাশঃ হে লল(ললনা), তোমার চোখে মাতাল করা উদাম দেহের ছল! তুমি এত সুন্দরী কেন, বল? আমার চক্ষু টলমল। তোমার দীঘল কালো চুল দেখছি নাতো ভুল? আমার সাথে যাবা—হাতিরপুল!! তোমার মুখে দারুণ তিল পুরাই নায়িকার সাথে মিল! আমার সাথে যাবা—হাতিরঝিল?? তোমার টানা টানা চোখ যেন রাষ্ট্রপতি বিরহের শোক ফেসবুকে দেবো তোমায় পোক-কেমন? তুমি দেখা দিয়ে- কোথায় গেলে -খেলাম বিশাল ক্রাশ হাজারো যুবকের লাহান, তোমাতেই আমার সর্বনাশ!! ।

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ২৫ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।