বাংলাদেশ সরকারের ভিশন ২০২১, যার প্রধান উদ্দেশ্য একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু সরকার কি আজও জানে এই বিষয়ের গাফলতি তাদের সপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ কোথায় যাচ্ছে?
ভুমিকা না বাড়িয়ে আজ যে মনের ভীষণ ক্ষোভ নিয়ে যে বিষয় নিয়ে লিখতে বসছি তা হচ্ছে একটি ডিজিটাল বিড়ম্বনার ছোট্ট একটি গল্প। মনে অনেক আশা নিয়ে অতি উৎসাহী হয়ে একটি এটিএম কার্ড পাওয়ার আশায় একটি ব্যাংক একাউন্ট করেছিলাম ডাচ বাংলা ব্যাংকে। মনের আকাঙ্খা মিটিয়ে একদিন এটিএম কার্ড টি ফেলাম। অনেক গর্ব করেছিলাম সেদিন, আহ! এবার অন্তত মনের মাদুলি মিশিয়ে যখন- তখন টাকা উঠিয়ে খরছ করতে পারব।
কিন্তু এযে এক বিড়ম্বনার নাম হবে তা কখনো কল্পনা করিনি।
আমি চট্টগ্রামে বাস করি। এখানে অনেক অলিতে গলিতে ডাচ বাংলা ব্যাংক ব্যাঙের ছাতার মত তাদের এটিএম বুথ স্থাপন করেছে। কিন্তু এগুলো বেশির ভাগেই আমাদেরকে স্বাগত জানায় মেশিনে সমস্যা দিয়ে। অমাদেরকে আরো স্বাগত জানায় টাকা না থাকার বেদনা দিয়ে।
নগরীর দেওয়ানহাট মোড়ের বুথটি সবছেড়ে বেশি যন্ত্রণাদায়ক । এখানে আপনি মাসে একবার সোভাগ্যক্রমে টাকা পেতে পারেন। আর বেশির ভাগ সময়ে মেশিন নস্ট থাকবে অথবা টাকা থাকবেনা।
নগরীর চকবাজার মোড়ের বুথটি আরো করুন অবস্থা , এখানে আমি কখনো দেখিনি টাকা থাকতে। দারোয়ান সবসময় অসহায় ভঙ্গিতে স্যালুট জানিয়ে বলে দেন দুখিত।
“টাকা নেই”
এভাবে নগরীর কাজির দেউরি, ষ্টেশন, চোমুহনি,হাজিপাড়া, টাইগারপাস সহ অধিকাংশ ডাচ বাংলা ব্যাংকের বুথের নাম হচ্ছে এক অসহনীয় যন্ত্রনার নাম।
অন্যন্য ব্যাংকগুলোর সম্পর্কে আমার আইডিয়া নেই, তবে আমারদেশের একটি রিপোর্ট মনে করিয়ে দেয় আসলে অন্যান্য সকল ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং আসলে আমাদের বিড়ম্বনাই দিচ্ছে।
ভদ্রলোক বেসরকারি চাকরিজীবী। বেতন পান ব্যাংকের মাধ্যমে। উত্তোলন করেন এটিএম কার্ডে।
বুধবার সন্ধ্যায় বেতনের টাকা তুলতে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ৫৯৩ নম্বর বুথে ঢোকেন। যথারীতি কার্ড ঢুকিয়ে নির্দিষ্ট অংকে টিপ দেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বিদ্যুত্ চলে যায়। বন্ধ হয়ে যায় এটিএম মেশিন। কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মী মেশিনে টেপাটিপি করে বলেন, ‘আপনার কার্ড খেয়ে ফেলেছে, ব্যাংকে যোগাযোগ করুন।
’ বিনামেঘে বজ্রপাতের মতো অবস্থা ভদ্রলোকের। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর বিদ্যুত্ আসে। কিন্তু কার্ডটি আর বের হয় না। ব্যর্থ মনোরথে বুধবার রাতে বাসায় ফেরেন। প্রাইম ব্যাংক কারওয়ান বাজার শাখার এ গ্রাহক গতকাল হাজির হন ব্যাংকে।
সব ঘটনা খুলে বলার পর দায়িত্বশীল ব্যাংক কর্মকর্তা মো. ওয়ালিদুল ইসলাম জানিয়ে দেন, কার্ড ফেরত পেতে অন্তত ১৫ দিন লাগবে। কারণ জানতে চাইলে ব্যাখ্যা করেন এভাবে, ‘ওই মেশিনে টাকা শেষ হলে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের লোক গিয়ে কার্ডটি হাতে পাবে। সেটি বিভিন্ন হাত ঘুরে যাবে ডাচ-বাংলার কার্ড বিভাগে।
সেখান থেকে পাঠানো হবে প্রাইম ব্যাংকের হেড অফিসে। সেখান থেকে আসবে শাখায়।
নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না কবে নাগাদ পাওয়া যাবে। তবে ১৫ দিন লাগতে পারে। এ ধরনের ঘটনা আরও অনেক ঘটেছে বলে জানান ব্যাংক কর্মকর্তা। হতাশ গ্রাহক ঈদকে সামনে রেখে তার অসুবিধার কথা জানালেও ব্যাংক কর্মকর্তার সাফ জবাব, কিছুই করার নেই। গ্রাহক জানান, তার চেক বইয়ের পাতাও শেষ হয়ে গেছে আগেই।
গত মঙ্গলবার নতুন চেক বইয়ের জন্য আবেদন করলে ব্যাংক থেকে জানানো হয়, আগামী মঙ্গলবার নাগাদ যোগাযোগ করতে। কারণ হিসাবে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী এখন শাখা থেকে চেক বই ইস্যু করা যায় না। মেশিন রিডেবল চেক ইস্যু করা হয় প্রত্যেক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে। এ জন্য কমপক্ষে ৪ কার্যদিবস লাগে। বুধবার বন্ধ ছিল ব্যাংক।
বৃহস্পতি, রোব, সোম ও মঙ্গলবার লেগে যাবে চেক বই পেতে। বিলিম্বিত হয়ে বুধবারেও গড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রেও ব্যাংকের শাখা কর্মকর্তাদের কিছু করার নেই বলে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, দেশব্যাপী বিস্তৃত ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম নেটওয়ার্কে সংযুক্ত রয়েছে প্রাইম ব্যাংকসহ আরও বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক।
শুধু ব্যাংকিংয়ে নয় আমাদের ডিজিটাল বিড়ম্বনার গল্প অনেক বড়, নেই আমাদের ইন্টারনট স্পিড, নেই আমাদের বিদ্যুতের সহজ প্রপ্যত,তাহলে আর ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগান কিসের প্রাপ্যতা? ডিজিটাল বাংলাদেশ নামের যে স্লোগানটি আমরা দিচ্ছি তা নিরর্থক হয়ে যাচ্ছেনা? এই যদি হয় আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ তবে আমাদের প্রয়োজন নেই ডিজিটাল বাংলাদেশের ,ফিরিয়ে দিন আমাদের এনালগ।
বাংলাদেশ সরকারের ভিশন ২০২১, যার প্রধান উদ্দেশ্য একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু সরকার কি আজও জানে এই বিষয়ের গাফলতি তাদের সপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ কোথায় যাচ্ছে?
ভুমিকা না বাড়িয়ে আজ যে মনের ভীষণ ক্ষোভ নিয়ে যে বিষয় নিয়ে লিখতে বসছি তা হচ্ছে একটি ডিজিটাল বিড়ম্বনার ছোট্ট একটি গল্প। মনে অনেক আশা নিয়ে অতি উৎসাহী হয়ে একটি এটিএম কার্ড পাওয়ার আশায় একটি ব্যাংক একাউন্ট করেছিলাম ডাচ বাংলা ব্যাংকে। মনের আকাঙ্খা মিটিয়ে একদিন এটিএম কার্ড টি ফেলাম। অনেক গর্ব করেছিলাম সেদিন, আহ! এবার অন্তত মনের মাদুলি মিশিয়ে যখন- তখন টাকা উঠিয়ে খরছ করতে পারব।
কিন্তু এযে এক বিড়ম্বনার নাম হবে তা কখনো কল্পনা করিনি।
আমি চট্টগ্রামে বাস করি। এখানে অনেক অলিতে গলিতে ডাচ বাংলা ব্যাংক ব্যাঙের ছাতার মত তাদের এটিএম বুথ স্থাপন করেছে। কিন্তু এগুলো বেশির ভাগেই আমাদেরকে স্বাগত জানায় মেশিনে সমস্যা দিয়ে। অমাদেরকে আরো স্বাগত জানায় টাকা না থাকার বেদনা দিয়ে।
নগরীর দেওয়ানহাট মোড়ের বুথটি সবছেড়ে বেশি যন্ত্রণাদায়ক । এখানে আপনি মাসে একবার সোভাগ্যক্রমে টাকা পেতে পারেন। আর বেশির ভাগ সময়ে মেশিন নস্ট থাকবে অথবা টাকা থাকবেনা।
নগরীর চকবাজার মোড়ের বুথটি আরো করুন অবস্থা , এখানে আমি কখনো দেখিনি টাকা থাকতে। দারোয়ান সবসময় অসহায় ভঙ্গিতে স্যালুট জানিয়ে বলে দেন দুখিত।
“টাকা নেই”
এভাবে নগরীর কাজির দেউরি, ষ্টেশন, চোমুহনি,হাজিপাড়া, টাইগারপাস সহ অধিকাংশ ডাচ বাংলা ব্যাংকের বুথের নাম হচ্ছে এক অসহনীয় যন্ত্রনার নাম।
অন্যন্য ব্যাংকগুলোর সম্পর্কে আমার আইডিয়া নেই, তবে আমারদেশের একটি রিপোর্ট মনে করিয়ে দেয় আসলে অন্যান্য সকল ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং আসলে আমাদের বিড়ম্বনাই দিচ্ছে।
ভদ্রলোক বেসরকারি চাকরিজীবী। বেতন পান ব্যাংকের মাধ্যমে। উত্তোলন করেন এটিএম কার্ডে।
বুধবার সন্ধ্যায় বেতনের টাকা তুলতে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ৫৯৩ নম্বর বুথে ঢোকেন। যথারীতি কার্ড ঢুকিয়ে নির্দিষ্ট অংকে টিপ দেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বিদ্যুত্ চলে যায়। বন্ধ হয়ে যায় এটিএম মেশিন। কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মী মেশিনে টেপাটিপি করে বলেন, ‘আপনার কার্ড খেয়ে ফেলেছে, ব্যাংকে যোগাযোগ করুন।
’ বিনামেঘে বজ্রপাতের মতো অবস্থা ভদ্রলোকের। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর বিদ্যুত্ আসে। কিন্তু কার্ডটি আর বের হয় না। ব্যর্থ মনোরথে বুধবার রাতে বাসায় ফেরেন। প্রাইম ব্যাংক কারওয়ান বাজার শাখার এ গ্রাহক গতকাল হাজির হন ব্যাংকে।
সব ঘটনা খুলে বলার পর দায়িত্বশীল ব্যাংক কর্মকর্তা মো. ওয়ালিদুল ইসলাম জানিয়ে দেন, কার্ড ফেরত পেতে অন্তত ১৫ দিন লাগবে। কারণ জানতে চাইলে ব্যাখ্যা করেন এভাবে, ‘ওই মেশিনে টাকা শেষ হলে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের লোক গিয়ে কার্ডটি হাতে পাবে। সেটি বিভিন্ন হাত ঘুরে যাবে ডাচ-বাংলার কার্ড বিভাগে।
সেখান থেকে পাঠানো হবে প্রাইম ব্যাংকের হেড অফিসে। সেখান থেকে আসবে শাখায়।
নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না কবে নাগাদ পাওয়া যাবে। তবে ১৫ দিন লাগতে পারে। এ ধরনের ঘটনা আরও অনেক ঘটেছে বলে জানান ব্যাংক কর্মকর্তা। হতাশ গ্রাহক ঈদকে সামনে রেখে তার অসুবিধার কথা জানালেও ব্যাংক কর্মকর্তার সাফ জবাব, কিছুই করার নেই। গ্রাহক জানান, তার চেক বইয়ের পাতাও শেষ হয়ে গেছে আগেই।
গত মঙ্গলবার নতুন চেক বইয়ের জন্য আবেদন করলে ব্যাংক থেকে জানানো হয়, আগামী মঙ্গলবার নাগাদ যোগাযোগ করতে। কারণ হিসাবে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী এখন শাখা থেকে চেক বই ইস্যু করা যায় না। মেশিন রিডেবল চেক ইস্যু করা হয় প্রত্যেক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে। এ জন্য কমপক্ষে ৪ কার্যদিবস লাগে। বুধবার বন্ধ ছিল ব্যাংক।
বৃহস্পতি, রোব, সোম ও মঙ্গলবার লেগে যাবে চেক বই পেতে। বিলিম্বিত হয়ে বুধবারেও গড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রেও ব্যাংকের শাখা কর্মকর্তাদের কিছু করার নেই বলে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, দেশব্যাপী বিস্তৃত ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম নেটওয়ার্কে সংযুক্ত রয়েছে প্রাইম ব্যাংকসহ আরও বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক।
শুধু ব্যাংকিংয়ে নয় আমাদের ডিজিটাল বিড়ম্বনার গল্প অনেক বড়, নেই আমাদের ইন্টারনট স্পিড, নেই আমাদের বিদ্যুতের সহজ প্রপ্যত,তাহলে আর ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগান কিসের প্রাপ্যতা? ডিজিটাল বাংলাদেশ নামের যে স্লোগানটি আমরা দিচ্ছি তা নিরর্থক হয়ে যাচ্ছেনা? এই যদি হয় আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ তবে আমাদের প্রয়োজন নেই ডিজিটাল বাংলাদেশের ,ফিরিয়ে দিন আমাদের এনালগ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।