যারা অন্যের সাথে প্রতারণা করে তারা প্রথমে নীজের সাথে প্রতারণা করে,কিন্তু নির্বোধ বলে তারা তা বুঝে না। আর প্রতরণার মধ্য দিয়ে প্রতারক মানুষরুপী শয়তান ও প্রেতে পরিনত হয়। কিন্তু অজ্ঞনতার ধরুন বিবেক তাদের ধ্বংশন করে না। ফলস্বরুপ,তারা পাপাচারে সুখ ভোগ করে। বাংগালীর জাতী পিতা বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট সেনাবাহিনীর কিয়দ্বংস এবং আওয়ামী লীগের কিছু নেতার ষরযন্ত্রে সংঘটিত অভ্যুখানে তিঁনি স্ব পরিবারে নিহত হন। ভাগ্যগুণে কেবল শুধু তাঁর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করার কারণে বেঁচে যান। সূর্য বিহিন পৃথিবী যেমন আধারে মিশে
থাকে তেমনি বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবর রহমান নিহত হবার পর বাংলাদেশ অন্ধকারের মুখে পতিত হন। তখন অভিভাবক হীন হয়ে পড়েন সারা বাংলার মানুষ। আকাশে-বাতাসে বয়তে থাকে তারঁ শোকের বার্তা।
সেই থেকে আওয়ামী লীগ শ্রদ্বার সাথে প্রত্যেক বৎসরের ১৫আগষ্ট জাতীর পিতা বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু দিবস পালন করে আসছেন। কিন্তু আমার কথা হলো বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু কোন দলের নন,তিঁনি জাতীর পিতা। তাই আমি বিশ্বাস করি দল-বল নির্বিশেষে জাতীর উচিত তাঁকে শ্রদ্বার সহিত স্বরণ করা। আর যারা তাঁকে শুধু আওয়ামী লীগের নেতা হিসাবে বিশ্বাস করেন তারা অন্ধ,তারাই জাতীর শত্রু। বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ শাসনামলে তিঁনি ধর্ম নিরপক্ষতার নীতির ধরুন যে সমালোচিত হয়েছিলেন আজ তাঁর কন্যা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই অন্ধলোকের দ্বারাই সেই সমালোচিত হচ্ছেন।
তাঁর চেয়ে মহাজ্ঞ্যানী কে যে ব্যাক্তী সকল জাতীকে সমান ভালবাসেন। শেখ মুজিবুর রহমান সকল জাতীকে সমান ভালবাসতেন। আজ যারা ধর্মকে সবার উপরে স্হান দিচ্ছেন তারাইতু একজাতীকে অপর জাতী ধ্বংস করছেন। তবে কি সকল জাতীর প্রতি ভালবাসা থাকা উত্তম না?আমার মতে উত্তম। তবে,আমার মতে সেই ব্যাক্তিই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মহাজ্ঞ্যানী যিঁনি সকল জাতীকে প্রভূ সমান ভালবাসেন।
কিন্তু আমি জানিনা,জাতীর পিতা বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সকল জাতিকে প্রভূ সমান ভালবাসতেন কিনা। তবে আমি এতটুকু জানি,২ ০০৪ সালে বিবিসি'র বাংলা রেডিও সার্ভিসের পক্ষ থেকে সারা বিশ্বে যে জরিপ চালানো হয় তাতে জাতীর পিতা বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংগালী হিসেবে বিবেচিত হন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।