আমার লিখতে ভাল লাগে এবং নতুন নতুন বিষয় নিয়ে ভাবতে ভাল লাগে।
ভাল রেজাল্ট করার পরও মিজানুরের চোখে মুখে হতাশার ছায়া। বাসনা থাকলেও হয়তো আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবেনা বলে গোটা পরিবারের সবাই এখন কিংকর্তব্য বিমূঢ়। ভাল কলেজে পড়াশোনা করানোর অদম্য ইচ্ছা থাকলেও তার খরচ যোগানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন মেধাবী মিজানুর রহমানের বাবা আব্দুল ছাদেক। মিজানুর রহমান এবার যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় গাংনী উপজেলার কুমারীডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে।
পড়াশোনর ভাল সুযোগ পেলে সে প্রকৌশলী হতে চায়।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মিনাপাড়া গ্রামের আব্দুল ছাদেকের ছেলে মিজানুর । ছোট বেলা থেকে নানা প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে তার লেখাপড়া শুরম্ন। বাবার জমি জিরাত নেই। দিন মজুরের কাজ করে কোন মতে সংসার চলে।
টানা পোড়েনের সংসারে মিজানুরকেও মাঝে মধ্যে কামলার কাজ করতে হতো। তার পরও তার লেখাপড়া বন্ধ হয়নি।
মিজানুরের বাবা ছাদেক জানান, শত কষ্ট থাকার পরও ওর পড়ালেখা বন্ধ করতে দেইনি। সংসারের দুরাবস্থা দেখে ও মাঝেমধ্যে পরের জমিতে কাজ করতো। রাতে পড়ার জন্য বিদ্যুতের আলোতো দুরের কথা কুপি বাতি জ্বালানোর তেল জোটাতে পারিনি।
দিতে পারিনি ভাল পোশাক। পরের বই এনে পড়ে তা পেরত দিতে হতো। অভাবের কারণে প্রাইভেট পড়াতে পারেনি।
মা ফিরোজা খাতুন জানান, পরীক্ষার আগে ছেলের মারাত্মক অসুখ দেখা দেয়। চিকিৎসার খরচ যোগাতে পরের কাছে হাত পাততে হয়েছে।
ভাবছিলাম ছেলে বুঝি পরীক্ষা দিতে পারবেনা। কিন্তু আল্লাহ মুখ তুলে তাকিয়েছে। অসুস্থ অবস্থায় পরীক্ষা দিয়েও মিজান জিপিএ-৫ পেয়েছে। মিজানুর একজন প্রকৌশলী হতে চায়। আমরা কি পারিনা তাকে ভাল সাজেশন দিতে? আসুন আমরা সবাই মিলে দোয়া করি তার মনের আশা যেন পূরণ হয় এবং যদি পারি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই
http://www.goromcha.com
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।