ফিরে আসা ভুল ছিলো আমার..........।
সময়টা ছিলো ১৯৯৩সাল, মাসের নামটাও আজ র মনে নেই,শুধু মনে আছে সেই ঘটনা যা আজো মাঝে মাঝে কড়ানাড়ে সৃতির দু্য়ারে..
রেললাইনের পাশেই ছিল আমার থাকার আশ্রয় সোজা কথায় আমরা কয়েকজন একটা রুম ভাড়া করে থাকতাম...বাংলাদেশী আমরা পাঁচজন ছিলাম,টুটুল থাকতো আগরপাড়া, অরুপ আমি র অমলান থাকতাম একসাথে। মানসদা থাকতো রেললাইনের ওপারে নামটাও মনে পড়ছে না আজ.....
রাতিতর বেলা নেমনত্রন মানসদার বাড়ীতে ওঃ অনেক দিন পর মানষদার মায়ের হাতের বাংলাদেশের খাবার খাবো....
খুব আশাতে ছিলাম.... বিকেল বেলায় সিগারেট খাওয়ার জন্য বাইরে বেরোলাম রেললাইনের ওপারে যেতে হবে,হেটে হেটে ওভার ব্রীজের কাছাকাছি চলে আসলাম হঠাৎ অনেক মানুষের চিৎকার শুনতে পেলাম বলছিলো ওখানে,ওখানে পড়েছে । কাছে গেলাম বললাম কি হয়েছে? একজন বলল ওখানে ট্রেন থেকে একজন পড়ে গিয়েছে কিনতু কেউ ঠিক বলতে পারছেনা, আমি বললাম চলুন না আমরা গিয়ে দেখি হয়তো বেঁচে থাকতে পারে...... বলে নিজেই হাটা ধরলাম পিছনে তাকিয়ে দেখলাম আরো বেশ কিছু মানুষ আসছে ,ঈশ্বর কে বার বার বলছিলাম হে প্রভু যে ই পড়ুক সে যেন বেঁচে থাকে, অবশেষে খুজে পেলাম, দেখলাম মাথাটা একদিকে হেলে আছে আমি যেন কেমন হয়ে গেলাম মানুষটার কাছে গেলাম দেখলাম তখনো বেঁচে আছে চিৎকার করে বললাম তারাতারি ধরুন এ এখনো বেঁচে আছে হাসপাতালে নিয়ে গেলে হয়তো বাচাঁনো যাবে,কিনতু কেউ সাহস করে এগিয়ে আসতে কেমন যেন ভয় পাচছিলো,আমি আবারো চিৎকার করে ধরতে বললাম তারপর নিজেই মাথার পেছনে হাত দিয়ে মানুষটাকে ওঠানোর জন্য চেষটা করলাম আর তখন পিছনের মানুষরা ওরাও আসলো তারপর সবাই মিলে মানুষটাকে ধরে station এর platform নিয়ে আসলাম আর তখনি মানুষটার দিকে চোখ গেল বয়স আনুমানিক ২৫ হবে হয়তো মাথার একপাশ ফেটে গিয়ে কিছু ঘুলি আর blood বেরিয়ে এসেছে আর তাকাতে পারলাম না নিজেকে খুব অসহায় লাগছিলো, একসময় অনেক মানুষের মাঝে মানুষটাকে রেখে চলে আসলাম আর রুমে ফিরে যখন নিজের দিকে তাকালাম দেখলাম আমার শার্ট রকতে লাল হয়ে গিয়েছে। অতঃপর আর কোনদিন জানা হয়নি মানুষটা কি বেঁচে আছে ? ইচেছ করেই জানার try করিনি..........থাকনা মনের ভেতরে,মানুষটা বেঁচে আছে সেটাই আশা থাকবে সবসময়..........................।
কিছু বানান ভুল থাকবে ও ইংরেজী প্রয়োগের কারন আমি প্রথম ফোনেটিক লেখার try করেছি মাত্র...।
ভালো থাকুন সবাই
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।