''প্রভু, ভুল ভেঙ্গে দাও; যে ভুলে তোমারে ভুলি, হিরা ফেলে কাচ তুলি, আমার সেই ভুল তুমি ভেঙ্গে দাও প্রভু।''
মাননীয় প্রধান মন্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী বলছেনঃ
সরকার ইসলাম বিরোধী কোনো আইন করেনি এবং করবেওনা। অর্থাৎ
১. নারীনীতি কোরআনবিরোধী নয়,
২. জাতীয় শিক্ষানীতিতে ধর্মীয় শিক্ষা সংকোচন ইসলামবিরোধী নয়,
৩.ফতোয়াবিরোধী হাইকোর্টের রায় কোরআন বিরোধী নয়।
অপরদিকে দেশের আলেম সমাজ বলছেন উলটো কথা! আমরা সাধারন জনগন এখন কই যাই?
দুই একজন আলেম বললে কথা ছিল। কিন্তু নিচে আলেমদের লিষ্ট দেখেনঃ
১.আল্লামা মুফতি আবদুর রহমান, মহাপরিচালক ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা,
২.মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, নির্বাহী সভাপতি জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও সম্পাদক মাসিক মদীনা,
৩.আল্লামা সুলতান যওক নদভী, মহাপরিচালক, দারুল মাআরিফ চট্টগ্রাম,
৪.আল্লামা আবদুল হালিম বুখারি, মহাপরিচালক, আল জমিয়তুল ইসলামিয়া পটিয়া,
৫.আল্লামা শামছুল আলম, শায়খুল হাদিস হাটহাজারী মাদ্রাসা,
৬.মাওলানা গিয়াস উদ্দীন, পীর সাহেব বালিয়া,
৭.মাওলানা তাফাজ্জুল হক, মহাপরিচালক উমেদনগর মাদ্রাসা,
৮.মাওলানা শায়খ আবদুল মুমিন, সভাপতি জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ,
৯.আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মহাপরিচালক বাবু নগর মাদ্রাসা, চট্টগ্রাম,
১০.মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, আমির খেলাফত মজলিস,
১১.মাওলানা আবদুর রকীব, সভাপতি বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি,
১২.আল্লামা তৈয়্যেব শাহ, মহাপরিচালক জিরি মাদ্রাসা, চট্টগ্রাম,
১৩. মুফতি হাবিবুর রহমান,
১৪. মাওলানা হারুন চৌধুরী হিলি দিনাজপুর,
১৫.মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, প্রিন্সিপাল মদিনাতুল উলমু মাদ্রাসা, যশোর,
১৬.ইসলামী আইন সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক মুফতি শহীদুল ইসলাম,
১৭.বাংলাদেশ ফরায়েজী জামাআতের সভাপতি মাওলানা মুঈনুদ্দীন আহমদ যোবায়ের মিয়া,
১৮. বৃহত্তর মোমেনশাহীর ইত্তেফাকুল ওলামার সভাপতি মাওলানা আবদুর রহমান হাফেজ্জী,
১৯.হবিগঞ্জ নূরে মদীনা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী,
২০.ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী,
২১.হাটাহাজারী মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা জুনায়েদ বাবু নগরী,
২২.সাবেক এমপি মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী,
২৩.মিরপুর আরজাবাদ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মস্তোফা আজাদ,
২৪.জামিয়া ইউনুসিয়া বি-বাড়িয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মোবারক উল্লাহ,
২৫.বাংলাদেশ ফরায়েজি জামাআতের মহাসচিব মাওলানা আবদুল্লাহ মুহাম্মদ হাসান,
২৬.মুন্সীগঞ্জের মধুপুরের পীর মাওলানা আবদুল হামিদ,
২৭.ফরিদপুর খাবাসপুর মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আবদুল কাদের,
২৮. জামিয়া মুহাম্মদিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কালাম আজাদ,
২৯.মাওলানা আজিজুল্লাহ, নোয়াখালী,
৩০.বসুন্ধরা ইসলামী রিসার্চ সেন্টারের সহকারী মহাপরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ,
৩১. খুলনা দারুল উলুমের প্রিন্সিপাল মাওলানা রফিকুর রহমান,
৩২.নিরালা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি গোলাম রহমান,
৩৩.মাওলানা আবদুল হক হক্কানী, প্রিন্সিপাল বগুড়া জামিল মাদ্রাসা,
৩৪.মাওলানা হাম্মাদ সাদী, খতিব কালীগঞ্জ বড় মসজিদ, কেরানীগঞ্জ
৩৫.গালুয়ার পীর মাওলানা আবদুল হক,
৩৬.যশোর রেল স্টেশন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আনোয়ারুল করীম,
৩৭.চট্টগ্রাম হাইলধর মাদ্রাসার পরিচালক আল্লামা আবদুল মালিক হালিম,
৩৮.নানুপুরের মাওলানা সালাহ উদ্দীন,
৩৯.আজাদী বাজারের মাওলানা হাবিবুল্লাহ,
৪০. মাওলানা ক্বারী আতাউল্লাহ, সাহেবজাদা হজরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.),
প্রমুখ।
বি.দ্র. ১.এতোবড় লিষ্ট দেখে আমাকে দোষ দিয়েননা।আমি শুধু পত্রিকা থেকে কপি করলাম।
২.অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। যারা ধর্মে বিশ্বাসী নন তারাও মন্তব্য করবেন না প্লিজ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।