ডাক্তার নামের একটি প্রানী হওয়ার চেষ্টায় আছি। ঠিক ৬ বছর আগে,এত ব্যাস্ততার মাঝে ভুলেই গেছিলাম রে। আমি জানি না তুই এখন কেমন আছিস। টের পেয়েছিস আজ কি রকম বৃষ্টি হলো। তোর কাঁচা ঘরের উপর দিয়ে স্রোতের মত বয়ে যায় নি? ৮ তালা বিল্ডিংয়ের কাঁচের ভিতর থেকে আমি বুঝতে পারি নি।
আমার রুমের দরজা ঠকঠক করে বাড়ি খাচ্ছিল। তোর ঘরের দরজা নিজ হাতে বন্ধ করেছি একটার পর একটা বাঁশ দিয়ে,তারপর ঝুরঝুরে মাটির ছাউনি। কি জানি হয়েছিল তোর?হেপাটাইটিস বি?তখন বুঝি নি। এখন বুঝি শালার কি জিনিস এটা। ডেভিডসন মাথায় যতঁটুকু ঢুকেছে তার সবটুকু চিপড়ে তোকে সাহায্য করতাম।
হায়। দোস্ত যাবার আগের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে?কলেজ থেকে সোজা তোকে দেখতে চলে যেতাম। তোর মলিন মুখটা। বয়েজ স্কুল থেকে কম্বাইন্ড কলেজে পড়ার মজা,প্রতিদিনকার ইন্টারেস্টিং কাহিনী,বাংক মারতে গিয়ে ধরা পরার কাহিনী। তুই শুনে টুনে বলতি,দূর ছাই,সব মজা একা একাই নিয়া ফেলতাসিস,থাকুম না এই ডেটল দেয়া ঘরে।
নিয়া চল আমারে। আমরা প্রবোধ দিতাম তোকে,আর মাত্র কটা দিন। খুব দ্রুতই মুক্তি পেয়ে গিয়েছিলি। ভাবতেও পারিনিরে দোস্ত। যদি জানতাম তাহলে পুরো কলেজ তোর রুমের সামনে বসিয়ে দিয়ে যেতাম।
চিৎকার করে বলতাম,আমাদের বন্ধুকে ছাড়া সব মজা অফ। বড় অসময়ে চলে গেলি,তোর আর সময়জ্ঞান হলো না।
এই দিনটাতেই তোকে আমার মনে পড়ল। ঘোড়ার ডিমের বৃষ্টি তোর কাছে যেতে দিচ্ছে না আমাকে। তবু তোকে আমি স্মরন করি দোস্ত।
আমি জানি তুই ভালো আছিস। আমি আসব। জানি তো তুই আগের ঠিকানাতেই আছিস। আমাদের সবগুলা বন্ধুর বুকের কোন একটা ঘর তোর জন্য সবসময় খালি আছে। মিস ইউ দোস্ত।
:'( ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।