আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

‘ডিজিটাল পাবলিক ইনোভেশন মেলা ২০১০’



‘ডিজিটাল পাবলিক ইনোভেশন মেলা ২০১০’ জনগণের দোরগোড়ায় সুলভে বিভিন্ন নাগরিক সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগগুলো নিয়ে একটি আয়োজন। এ মেলা থেকে জনগণ বর্তমানে চলমান এবং নিকট ভবিষ্যতে প্রাপ্য বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা ও এ পদ্ধতির সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। বাংলাদেশে এযাবতকালীন নেয়া কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা কার্যক্রম হলঃ • এসএমএস এর মাধ্যমে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্তি, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিদ্যুতের বিল পরিশোধ, ওয়ান-স্টপ ব্যাবস্থায় পাসপোর্ট প্রদান এবং অনলাইনে একটিমাত্র ওয়েবসাইটে ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ফর্ম প্রাপ্তি। এ ধরনের উদ্যোগগুলো একই সাথে সরকারের এবং সাধারণ মানুষের সময় এবং খরচ বাঁচায়। • প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সয়ংক্রিয়করনের ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বেড়েছে, হজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে এখন সহজেই ৫০,০০০ হজযাত্রীর তথ্য প্রক্রিয়াকরন সম্ভব হচ্ছে, পূর্বে যেখানে সর্বোচ্চ ৫,০০০ যাত্রীর তথ্য প্রক্রিয়াকরন করা যেত।

• জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেস ব্যবহার করে জন্ম, মৃত্যু ও বিয়ের রেজিস্ট্রেশন, বিদ্যালয়ে ভর্তি, টিকাদান, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং এ ধরনের অন্যান্য সেবা প্রদান এখন সহজেই সম্ভব। ডিজিটাল পাবলিক ইনোভেশন মেলার প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলঃ • পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারীর ক্ষেত্রে বর্তমানে যে বেস্ট প্র্যাক্টিস গুলো আছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরা । • সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও বেস্ট প্র্যাক্টিস গুলোর অনুসরনে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে উৎসাহ প্রদান করা। • মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগীতাসুলভ মনোভাব গড়ে তোলা। এই মেলার মাধ্যমে সরকারি সংস্থাসমূহ স্ব স্ব ক্ষেত্রে পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারী ও প্রশাসনিক কাজে বেস্ট প্র্যাক্টিস সমূহ সম্পর্কে ধারণা পাবে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের সর্বাধুনিক উদ্ভাবনীসমূহ প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। জনগণ এই মেলায় এসে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক কোন কোন সেবাগুলো এখন পেতে পারেন এবং কোন সেবাগুলো অচিরেই পেতে যাচ্ছেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করবেন। সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য বেসরকারি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান এ মেলায় অংশ নিতে যাচ্ছে। মেলায় ৭ টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে; সেমিনারের বিষয়সমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারী সেন্টারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানো, ই-সেবা সমূহকে স্থায়িত্বশীল করতে পিপিপি কাঠামোর ভূমিকা, ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনে আইসিটি পলিসি ২০০৯ এর প্রয়োগ নিশ্চিতকরন, ইন্টার-অপারেবিলিটির মাধ্যমে সরকারি সংস্থাসমূহের সমন্বয়করন, এম-গভর্ন্যান্সঃ সেবাপ্রদানে মোবাইল ফোন, সরকারে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক জনবল গঠনের মাধ্যমে ই-সেবাসমূহের স্থায়ীত্বশীলতা নিশ্চিতকরন এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিচিতি। বিশিষ্ট সরকারি এবং বেসরকারি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে সেমিনারগুলো অনুষ্টিত হবে।

কবেঃ ৪-৬ মার্চ, সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৮ টা। কোথায়ঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভো থিয়েটার, ঢাকা। অংশ নেবেনঃ প্রায় সকল মন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞবৃন্দ এবং বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। কি কি থাকবেঃ প্রদর্শনী স্টল, ডেমোন্সট্রেশন, সেমিনার। টিকেটঃ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট দেখুনঃ http://www.digitalinnovationfair.info/ ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনোভেশন মেলা ২০১০’ জনগণের দোরগোড়ায় সুলভে বিভিন্ন নাগরিক সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগগুলো নিয়ে একটি আয়োজন। এ মেলা থেকে জনগণ বর্তমানে চলমান এবং নিকট ভবিষ্যতে প্রাপ্য বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা ও এ পদ্ধতির সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। বাংলাদেশে এযাবতকালীন নেয়া কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা কার্যক্রম হলঃ • এসএমএস এর মাধ্যমে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্তি, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিদ্যুতের বিল পরিশোধ, ওয়ান-স্টপ ব্যাবস্থায় পাসপোর্ট প্রদান এবং অনলাইনে একটিমাত্র ওয়েবসাইটে ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ফর্ম প্রাপ্তি। এ ধরনের উদ্যোগগুলো একই সাথে সরকারের এবং সাধারণ মানুষের সময় এবং খরচ বাঁচায়। • প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সয়ংক্রিয়করনের ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বেড়েছে, হজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে এখন সহজেই ৫০,০০০ হজযাত্রীর তথ্য প্রক্রিয়াকরন সম্ভব হচ্ছে, পূর্বে যেখানে সর্বোচ্চ ৫,০০০ যাত্রীর তথ্য প্রক্রিয়াকরন করা যেত।

• জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেস ব্যবহার করে জন্ম, মৃত্যু ও বিয়ের রেজিস্ট্রেশন, বিদ্যালয়ে ভর্তি, টিকাদান, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং এ ধরনের অন্যান্য সেবা প্রদান এখন সহজেই সম্ভব। ডিজিটাল পাবলিক ইনোভেশন মেলার প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলঃ • পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারীর ক্ষেত্রে বর্তমানে যে বেস্ট প্র্যাক্টিস গুলো আছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরা । • সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও বেস্ট প্র্যাক্টিস গুলোর অনুসরনে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে উৎসাহ প্রদান করা। • মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগীতাসুলভ মনোভাব গড়ে তোলা। এই মেলার মাধ্যমে সরকারি সংস্থাসমূহ স্ব স্ব ক্ষেত্রে পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারী ও প্রশাসনিক কাজে বেস্ট প্র্যাক্টিস সমূহ সম্পর্কে ধারণা পাবে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের সর্বাধুনিক উদ্ভাবনীসমূহ প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। জনগণ এই মেলায় এসে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক কোন কোন সেবাগুলো এখন পেতে পারেন এবং কোন সেবাগুলো অচিরেই পেতে যাচ্ছেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করবেন। সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য বেসরকারি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান এ মেলায় অংশ নিতে যাচ্ছে। মেলায় ৭ টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে; সেমিনারের বিষয়সমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারী সেন্টারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানো, ই-সেবা সমূহকে স্থায়িত্বশীল করতে পিপিপি কাঠামোর ভূমিকা, ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনে আইসিটি পলিসি ২০০৯ এর প্রয়োগ নিশ্চিতকরন, ইন্টার-অপারেবিলিটির মাধ্যমে সরকারি সংস্থাসমূহের সমন্বয়করন, এম-গভর্ন্যান্সঃ সেবাপ্রদানে মোবাইল ফোন, সরকারে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক জনবল গঠনের মাধ্যমে ই-সেবাসমূহের স্থায়ীত্বশীলতা নিশ্চিতকরন এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিচিতি। বিশিষ্ট সরকারি এবং বেসরকারি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে সেমিনারগুলো অনুষ্টিত হবে।

কবেঃ ৪-৬ মার্চ, সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৮ টা। কোথায়ঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভো থিয়েটার, ঢাকা। অংশ নেবেনঃ প্রায় সকল মন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞবৃন্দ এবং বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। কি কি থাকবেঃ প্রদর্শনী স্টল, ডেমোন্সট্রেশন, সেমিনার। টিকেটঃ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট দেখুনঃ http://www.digitalinnovationfair.info/ ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনোভেশন মেলা ২০১০’ জনগণের দোরগোড়ায় সুলভে বিভিন্ন নাগরিক সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগগুলো নিয়ে একটি আয়োজন। এ মেলা থেকে জনগণ বর্তমানে চলমান এবং নিকট ভবিষ্যতে প্রাপ্য বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা ও এ পদ্ধতির সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। বাংলাদেশে এযাবতকালীন নেয়া কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা কার্যক্রম হলঃ • এসএমএস এর মাধ্যমে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্তি, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিদ্যুতের বিল পরিশোধ, ওয়ান-স্টপ ব্যাবস্থায় পাসপোর্ট প্রদান এবং অনলাইনে একটিমাত্র ওয়েবসাইটে ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ফর্ম প্রাপ্তি। এ ধরনের উদ্যোগগুলো একই সাথে সরকারের এবং সাধারণ মানুষের সময় এবং খরচ বাঁচায়। • প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সয়ংক্রিয়করনের ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বেড়েছে, হজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে এখন সহজেই ৫০,০০০ হজযাত্রীর তথ্য প্রক্রিয়াকরন সম্ভব হচ্ছে, পূর্বে যেখানে সর্বোচ্চ ৫,০০০ যাত্রীর তথ্য প্রক্রিয়াকরন করা যেত।

• জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেস ব্যবহার করে জন্ম, মৃত্যু ও বিয়ের রেজিস্ট্রেশন, বিদ্যালয়ে ভর্তি, টিকাদান, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং এ ধরনের অন্যান্য সেবা প্রদান এখন সহজেই সম্ভব। ডিজিটাল পাবলিক ইনোভেশন মেলার প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলঃ • পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারীর ক্ষেত্রে বর্তমানে যে বেস্ট প্র্যাক্টিস গুলো আছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরা । • সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও বেস্ট প্র্যাক্টিস গুলোর অনুসরনে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে উৎসাহ প্রদান করা। • মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগীতাসুলভ মনোভাব গড়ে তোলা। এই মেলার মাধ্যমে সরকারি সংস্থাসমূহ স্ব স্ব ক্ষেত্রে পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারী ও প্রশাসনিক কাজে বেস্ট প্র্যাক্টিস সমূহ সম্পর্কে ধারণা পাবে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের সর্বাধুনিক উদ্ভাবনীসমূহ প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। জনগণ এই মেলায় এসে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক কোন কোন সেবাগুলো এখন পেতে পারেন এবং কোন সেবাগুলো অচিরেই পেতে যাচ্ছেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করবেন। সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য বেসরকারি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান এ মেলায় অংশ নিতে যাচ্ছে। মেলায় ৭ টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে; সেমিনারের বিষয়সমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারী সেন্টারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানো, ই-সেবা সমূহকে স্থায়িত্বশীল করতে পিপিপি কাঠামোর ভূমিকা, ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনে আইসিটি পলিসি ২০০৯ এর প্রয়োগ নিশ্চিতকরন, ইন্টার-অপারেবিলিটির মাধ্যমে সরকারি সংস্থাসমূহের সমন্বয়করন, এম-গভর্ন্যান্সঃ সেবাপ্রদানে মোবাইল ফোন, সরকারে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক জনবল গঠনের মাধ্যমে ই-সেবাসমূহের স্থায়ীত্বশীলতা নিশ্চিতকরন এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিচিতি। বিশিষ্ট সরকারি এবং বেসরকারি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে সেমিনারগুলো অনুষ্টিত হবে।

কবেঃ ৪-৬ মার্চ, সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৮ টা। কোথায়ঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভো থিয়েটার, ঢাকা। অংশ নেবেনঃ প্রায় সকল মন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞবৃন্দ এবং বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। কি কি থাকবেঃ প্রদর্শনী স্টল, ডেমোন্সট্রেশন, সেমিনার। টিকেটঃ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট দেখুনঃ http://www.digitalinnovationfair.info/ ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনোভেশন মেলা ২০১০’ জনগণের দোরগোড়ায় সুলভে বিভিন্ন নাগরিক সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগগুলো নিয়ে একটি আয়োজন। এ মেলা থেকে জনগণ বর্তমানে চলমান এবং নিকট ভবিষ্যতে প্রাপ্য বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা ও এ পদ্ধতির সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। বাংলাদেশে এযাবতকালীন নেয়া কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবা কার্যক্রম হলঃ • এসএমএস এর মাধ্যমে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্তি, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিদ্যুতের বিল পরিশোধ, ওয়ান-স্টপ ব্যাবস্থায় পাসপোর্ট প্রদান এবং অনলাইনে একটিমাত্র ওয়েবসাইটে ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ফর্ম প্রাপ্তি। এ ধরনের উদ্যোগগুলো একই সাথে সরকারের এবং সাধারণ মানুষের সময় এবং খরচ বাঁচায়। • প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সয়ংক্রিয়করনের ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বেড়েছে, হজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে এখন সহজেই ৫০,০০০ হজযাত্রীর তথ্য প্রক্রিয়াকরন সম্ভব হচ্ছে, পূর্বে যেখানে সর্বোচ্চ ৫,০০০ যাত্রীর তথ্য প্রক্রিয়াকরন করা যেত।

• জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেস ব্যবহার করে জন্ম, মৃত্যু ও বিয়ের রেজিস্ট্রেশন, বিদ্যালয়ে ভর্তি, টিকাদান, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং এ ধরনের অন্যান্য সেবা প্রদান এখন সহজেই সম্ভব। ডিজিটাল পাবলিক ইনোভেশন মেলার প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলঃ • পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারীর ক্ষেত্রে বর্তমানে যে বেস্ট প্র্যাক্টিস গুলো আছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরা । • সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও বেস্ট প্র্যাক্টিস গুলোর অনুসরনে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে উৎসাহ প্রদান করা। • মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগীতাসুলভ মনোভাব গড়ে তোলা। এই মেলার মাধ্যমে সরকারি সংস্থাসমূহ স্ব স্ব ক্ষেত্রে পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারী ও প্রশাসনিক কাজে বেস্ট প্র্যাক্টিস সমূহ সম্পর্কে ধারণা পাবে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের সর্বাধুনিক উদ্ভাবনীসমূহ প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। জনগণ এই মেলায় এসে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক কোন কোন সেবাগুলো এখন পেতে পারেন এবং কোন সেবাগুলো অচিরেই পেতে যাচ্ছেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করবেন। সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য বেসরকারি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান এ মেলায় অংশ নিতে যাচ্ছে। মেলায় ৭ টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে; সেমিনারের বিষয়সমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারী সেন্টারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানো, ই-সেবা সমূহকে স্থায়িত্বশীল করতে পিপিপি কাঠামোর ভূমিকা, ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনে আইসিটি পলিসি ২০০৯ এর প্রয়োগ নিশ্চিতকরন, ইন্টার-অপারেবিলিটির মাধ্যমে সরকারি সংস্থাসমূহের সমন্বয়করন, এম-গভর্ন্যান্সঃ সেবাপ্রদানে মোবাইল ফোন, সরকারে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক জনবল গঠনের মাধ্যমে ই-সেবাসমূহের স্থায়ীত্বশীলতা নিশ্চিতকরন এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিচিতি। বিশিষ্ট সরকারি এবং বেসরকারি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে সেমিনারগুলো অনুষ্টিত হবে।

কবেঃ ৪-৬ মার্চ, সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৮ টা। কোথায়ঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভো থিয়েটার, ঢাকা। অংশ নেবেনঃ প্রায় সকল মন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞবৃন্দ এবং বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। কি কি থাকবেঃ প্রদর্শনী স্টল, ডেমোন্সট্রেশন, সেমিনার। টিকেটঃ বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট দেখুনঃView this link

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.