কোন একদিন.. এদেশের আকাশে... কালেমার পতাকা দুলবে, সেদিন সবাই ... খোদায়ী বিধান পেয়ে দু:খ বেদনা ভুলবে..
এক গাঁয়ে একটা শিশু বাস করত। সেই গাঁয়ের আরেক প্রান্তে ছিল তার নানা বাড়ি। শিশুটা পশু-পাখি খুব ভালবাসত, সবচে ভালবাসত কুকুরকে। তার নিজের একটা কুকুর ছিল। আবার তার নানাবাড়িতেও একটা কুকুর ছিল।
বাড়িতে থাকলে ছেলেটা তার নিজের কুকুরটার যত্ন নিত। আবার কখনো যদি নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে থাকত, তখন ঐ বাড়ির কুকুরটার যত্ন নিত। কুকুরগুলোও তাকে খুব পছন্দ করত।
একদিন ছোট্ট ছেলেটা তার নিজের কুকুরটাকে নিয়ে তার নানা বাড়িতে গেল। বাড়িতে পৌছাতে না পৌছাতেই তার কানে নানাবাড়ির কুকুরের ঘেউঘেউ শব্দ কানে এল।
কুকুরটা ঘেউ ঘেউ করতে করতে ছুটে এল। ছেলেটাও কুকুরটাকে জড়িয়ে ধরার জন্য হাত বাড়িয়ে রেখেছে। কিন্তু ছুটে আসা কুকুরটা ছেলেটার আদরের মায়ায় ছুটে আসছিল না, বরং তার সাথের কুকুরটার উপর চড়াও হবার জন্য ছুটে আসছিল। ছেলেটার নিজের কুকুরটাও সাবধান হয়ে গেল, উচ্চস্বরে ঘেউ ঘেউ করতে করতে সামনের দিকে ছুটে গেল ধেয়ে আসা কুকুরটার মোকাবেলা করার জন্য। এতক্ষনে সৎবিৎ ফিরেছে ছেলেটার, সে বুঝল অবস্থা ভাল নয়।
সে কুকুরগুলোর মধ্যকার ঝগড়া থামানোর জন্য আক্রমনাত্নক ভঙ্গিতে থাকা দুই কুকুরের দিকে ছুটে গেল। ততক্ষনে কুকুরগুলোর মধ্যে কামড়া কামড়ি শুরু হয়ে গেছে। ছেলেটা পৌছেই কুকুরগুলোকে হাত দিয়ে সরাতে চাইল, কিন্তু কুকুরগুলোতো সরলই না বরং দুইটা কুত্তাই ছেলেটার হাত কামড়ে দিল।
হাসপাতালের বেডে শুয়ে শিশুটা ইন্জেকশন নিতে নিতেই সিদ্ধান্ত নিল, সে কখনোই আর কুকুরকে ভালবাসবেনা। সেই থেকে শিশুটা কুকুরকে আর পছন্দ করেনা।
ছাত্রলীগ যদি কোনদিন শেখ হাসিনার হাত কামড়ে দিত তাহলে হয়তো উনারও সৎবিৎ ফিরত। দেশের জনগনতো শাসকের কাছে সন্তানের মত। সেই সন্তানকে যারা কষ্ট দিচ্ছে তাদের কুত্তার মত দুধকলা দিয়ে পুষিয়ে রাখার কোন মানে আছে বলে আমার মনে হয়না।
ছাত্রলীগের কোন্দলের বলি ঢাবির নিরীহ ছাত্র
ভিসি সাহেবের উচিত পদত্যাগ করা। দলীয়করনের মাধ্যমে যে ভিসি নিয়োগ পেয়েছে তার কাছ থেকে কোন ভাল সমাধান আমি আশা করিনা।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।